বিপিএল ফিক্সিং

অবশেষে আনুষ্ঠানিক বিচার কাজ শুরু

অবশেষে শুরু হল বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ফিক্সিংয়ের আনুষ্ঠানিক বিচার কাজ। আইসিসি’র দুর্নীতি দমন ও নিরাপত্তা ইউনিটের (আকসু) রিপোর্ট দেয়ার প্রায় তিন মাস পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) গড়া ১১ সদস্যের ডিসিপ্লিনারি প্যানেল গত শনিবার রাতে প্রথম বৈঠকে বসে এ জন্য দ্রুত তিন সদস্যের এক ট্রাইব্যুনাল গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়। বিসিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গুলশানের নাভানা টাওয়ারে বোর্ডের আগের কার্যালয় থেকে এই প্যানেলের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। বিসিবিও এই বিজ্ঞপ্তির মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্যানেলটি ঘোষণার কথা জানায়। প্যানেলের চেয়ারম্যান মনোনীত হয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মোহাম্মদ আবদুর রশীদ। বাকি ১০ সদস্যের মধ্যে আছেন সুপ্রিম কোর্টে সাবেক দুই বিচারক খাদেমুল ইসলাম চৌধুরী ও শেখ রেজওয়ান আলী এবং সাবেক জেলা ও সেশন জজ এসকেএম আনিসুর রহমান খান, সাবেক চার ক্রিকেটার শাকিল কাসেম, ফখরুল হাসান, মাহমুদুল হাসান (সাজু) ও মাহবুব হোসেন (নান্টু) এবং সুশীল সমাজের তিন প্রতিনিধি আইনজীবী আজমামুল হোসেন কিউসি, ব্যারিস্টার নিহাদ কবীর ও কবি নির্মলেন্দু গুণ। চলতি বছরের ১৩ আগস্ট আকসু বিপিএলের ফিক্সিং নিয়ে তদন্তের পর ৯ জনকে অভিযুক্ত করে তাদের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। এর দুদিন বাদেই বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সাবেক প্রধান বিচারপতি মাহবুবুল আমিন চৌধুরীকে প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনয়ন দেয় বিসিবি। তবে ওই সময়ে কোন প্যানেল গঠনের কথা জানায়নি বিসিবি। এমনকি ৪০ দিনের মধ্যে শুনানি শুরুর ডেডলাইনও বেঁধে দেয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই ডেডলাইন ‘২৩ সেপ্টেম্বর’ এর আরো ৪৭ দিন পর আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হল ডিসিপ্লিনারি প্যানেলটি। বিপিএল ফিক্সিংয়ের ঘটনায় অভিযুক্তদের সবাই এই প্রতিযোগিতায় টানা দুবারের চ্যাম্পিয়ন ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সের সঙ্গে যুক্ত। তারা হলেন দলটির মালিক সেলিম চৌধুরী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক শিহাব চৌধুরী, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গৌরব রাওয়াদ, বোলিং কোচ মোহাম্মদ রফিক এবং পাঁচ ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুল, মাহবুবুল আলম, মোশাররফ হোসেন এবং ইংল্যান্ডের ড্যারেন স্টিভেন্স ও শ্রীলঙ্কার কৌশল লোকুয়ারাচ্চি।