বটিয়াঘাটায় সড়কের বেহাল দশা

উপজেলার অধিকাংশ সড়কে সংস্কার অভাবে অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় যানবাহন চলাচলে চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হচ্ছে। দীর্ঘ দশ কিলোমিটার খুলনা মহানগর থেকে বটিয়াঘাটায় প্রবেশের প্রধানতম গল্লামারী-বটিয়াঘাটা সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। ইতোমধ্যে সড়ক ও জনপথ দপ্তর কয়েকবার রাস্তা মেরামতের নামে অর্থ আত্মসাত্ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গত আটমাস আগে ৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ে গর্ত ভরাটের কাজ করা হয়। যেনতেন ভাবে গর্তে খোয়া দিয়ে অধিকাংশ জায়গায় বিটুমিন ছাড়াই কাজ শেষ হয়। ফলে বর্ষার শুরুতেই যানবাহন চলাচলে খোয়া উঠে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। অবস্থা এমন মারাত্মক আকার ধারণ করেছে যে, অনেক যানবাহনকে যাত্রী নামিয়ে তবেই গর্ত পার হতে হয়। জলমা চক্রাখালী স্কুলের দক্ষিণ পাশ থেকে মল্লিকের মোড় পর্যন্ত অংশটুকু যানবাহন চলাচলের সম্পূর্ণ অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এছাড়া বটিয়াঘাটা চালনা সড়কের কিসমত ফুলতলা থেকে বরণপাড়া ফেরিঘাট পর্যন্ত রাস্তার অবস্থা অত্যন্ত করুণ। খানা-খন্দক পেরিয়ে এ রাস্তা দিয়ে যানবাহন চলাচল দুঃসাধ্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।উপজেলার বটিয়াঘাটা সুরখালী ১৮ কিলোমিটার সড়কের বেশিরভাগ কার্পেটিং উঠে অসংখ্য ফাটল ও গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। আন্ধারিয়া থেকে গঙ্গারামপুর ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত রাস্তায় বহু বছর ধরে ইট বসানো থাকলেও সংস্কার অভাবে সে সব ইট উঠে কাদার সৃষ্টি হয়েছে। কাজীবাচা নদীর পূর্ব পাড়ে উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা, ভান্ডারকোট ও আমিরপুর ইউনিয়নের রাস্তাগুলোর অবস্থাও একই। বিরাট হাইস্কুল থেকে টালিয়ামারা হয়ে ভান্ডারকোট ইউনিয়ন পরিষদের সামনে পর্যন্ত ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটির অবস্থা অত্যন্ত করুণ। সড়ক ও জনপথ দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় এমপি ও উপজেলা চেয়ারম্যানের সাথে আলাপকালে জানান, বটিয়াঘাটা নলিয়ান পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণের জন্য একনেক ৮৪ কোটি টাকার বাজেট পাস করে। কিন্ত এ পর্যন্ত টাকা ছাড় না হওয়ায় সংস্কার কাজ এগুয়নি। বিষয়টি নিয়ে উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা চলছে।