অবৈধভাবে ক্ষমতা আঁকড়ে থাকা

মালদ্বীপের তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে হুঁশিয়ার করল যুক্তরাষ্ট্র

মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও মালদ্বীপের তত্ত্বাবধায়ক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ ওয়াহিদের ক্ষমতায় থাকার কঠোর সমালোচনা করে যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, এটি দেশটির গণতন্ত্রকে বিপন্ন করছে। এছাড়া মার্কিন পররাষ্ট্রদপ্তর সময় শেষ হওয়ার পরও তার ক্ষমতায় থাকাকে নজিরবিহীন বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। পররাষ্ট্রদপ্তরের মুখপাত্র জেন পসাকি কলম্বো থেকে ইস্যুকৃত মার্কিন দূতাবাসের এক বিবৃতিতে বলেন, মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও প্রেসিডেন্ট ওয়াহিদের ক্ষমতায় থাকার সিদ্ধান্তে যুক্তরাষ্ট্র গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে। তিনি বলেন, এ সিদ্ধান্তে মালদ্বীপের জনগণের তাদের নেতা নির্বাচনের পদক্ষেপকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। উল্লেখ্য, তত্ত্বাবধায়ক প্রেসিডেন্ট ওয়াহিদ রবিবার রাতে পদত্যাগ না করার অঙ্গীকার করেন। তার মুখপাত্র মাসুদ ইমাম জানান, ওয়াহিদ ১৬ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় দ্বিতীয় দফা নির্বাচনের পর পদত্যাগ করবেন বলে জনগণকে আশ্বস্ত করেছেন। সংবিধান অনুযায়ী ১১ নভেম্বরের মধ্যে দেশটিতে নতুন প্রেসিডেন্টকে শপথ নিতে হতো। কিন্তু প্রেসিডেন্ট নির্বাচন বারবার বাধাগ্রস্ত হওয়ায় নতুন কোন প্রেসিডেন্ট এখনও নির্বাচিত হননি। সোমবার পার্লামেন্টের স্পীকার আবদুল্লাহ শহীদ তত্ত্বাবধায়ক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ ওয়াহিদকে তার মেয়াদ শেষের বিষয়ে হুঁশিয়ার করেন এবং এ মেয়াদ বাড়ানো যাবে না বলেও জানান। বিরোধী মালদ্বীপ ডেমোক্রেটিক পার্টির (এমডিপি) সঙ্গে সম্পর্কিত স্পিকার ওয়াহিদকে বলেন, সংবিধান অনুযায়ী তার দেশ শাসনের অধিকার নেই। কারণ ওয়াহিদের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু ভোট বন্ধের নির্দেশ জারি করে সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল ১৬ নভেম্বর দ্বিতীয় দফা ভোট অনুষ্ঠান পর্যন্ত ওয়াহিদ ক্ষমতায় থাকতে পারবেন।