রাঙ্গামাটি রাজবন বিহারে
হাজারো পুণ্যার্থীর শ্রদ্ধা
একে এম মকছুদ আহমেদ, রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৬ নভেম্বর ২০১৩, ২১:৩৩
হাজারো পুণ্যার্থীর শ্রদ্ধা এবং ধর্মীয় ভাব-গাম্ভীর্যের মধ্যদিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের বৌদ্ধ ধর্মাবলন্বীদের সর্ববৃহত্ ধর্মীয় উত্সব কঠিন চীবর দান রাঙ্গামাটি রাজবন বিহারে চীবর উত্সর্গের মধ্যদিয়ে শেষ হয়েছে। শুক্রবার রাঙ্গামাটির রাজবন বিহার প্রাঙ্গণে বৌদ্ধ সমাবেশের মধ্যদিয়ে রাঙ্গামাটি সার্কেল চীফ রাজা দেবাশীষ রায় পার্বত্য ধর্মীয় গুরু বনভন্তের শীর্ষমন্ডলীর কাছে এ চীবর উত্সর্গ করেন।
রাজবন বিহার মাঠে অনুষ্ঠিত ৪০তম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানে উপস্থিত হাজার হাজার পুণ্যার্থীদের উদ্দেশ্যে ধর্ম দেশনা দেন রাঙ্গামাটি রাজবন বিহারের প্রধান শ্রীমত্ প্রজ্ঞালংকার ও জ্ঞান জ্যোতি মহাস্থবির। এসময় বক্তব্য দেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীলিপ বড়ুয়া, চাকমা সার্কেল চীফ ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায়। দেশ ও বিশ্বের মঙ্গল কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা করেন রাজবন বিহার পরিচালনা কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি গৌতম দেওয়ান।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো বাণী পাঠ করেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবং বিরোধী দলীয় নেত্রীর পাঠানো বাণী পাঠ করেন জেলা বিএনপির সভাপতি দীপেন দেওয়ান। জেলা প্রশাসক মোস্তফা কামাল ও পৌর মেয়র সাইফুল ইসলাম ভূট্টো, সাবেক উপমন্ত্রী মনিস্বপন দেওয়ানসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
রামু (কক্সবাজার) সংবাদদাতা জানান, কক্সবাজারের রামু উত্তর মিঠাছড়ি বিমুক্তি বিদর্শন ভাবনা কেন্দ্রে প্রতিষ্ঠিত দেশের বৃহত্তম সিংহশয্যা গৌতম বুদ্ধমূর্তির জীবন্যাশ ও দানোত্তম শুভ কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠান শুক্রবার ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। এ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত ধর্মসভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভার প্রাক্তন সভাপতি, রামু সীমা বিহারের অধ্যক্ষ পণ্ডিত সত্যপ্রিয় মহাথের। বক্তব্য রাখেন বিমুক্তি বিদর্শন ভাবনা কেন্দ্রের পরিচালক ভদন্ত করুনাশ্রী থের, সঞ্চালক ছিলেন প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষু, সাংবাদিক নীতিশ বড়ুয়া।