শচিনের পঞ্জি
প্রকাশ : ১৬ নভেম্বর ২০১৩, ২২:১১
১৯৭৩ : জন্ম ২৪ এপ্রিল, মুম্বাই
১৯৮৮ : মাত্র ১৫ বছর ২৩২ দিন বয়সে রঞ্জি ট্রফির ম্যাচে মুম্বাইয়ের হয়ে গুজরাটের বিপক্ষে অপরাজিত ১০০ রান করে সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে গড়লেন প্রথম শ্রেণীর ম্যাচে সেঞ্চুরি করার কীর্তি।
১৯৮৯ : পাকিস্তানের বিপক্ষে করাচিতে মাত্র ১৬ বছর বয়সে টেস্ট অভিষেক।
১৯৯০ : ওয়ানডে অভিষেক; যদিও পাকিস্তানের বিপক্ষে সেই ম্যাচে কোন রান না করেই আউট হয়ে যান।
১৯৯০ : ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি।
১৯৯২ : ১৯ বছর বয়সে যোগ দেন ইংলিশ কাউন্টি ক্লাব ইয়র্কশায়ারে। ক্লাবটির ইতিহাসে তিনিই প্রথম দেশটির বাইরে জন্ম নেয়া ক্রিকেটার।
১৯৯৪ : নয় সেপ্টেম্বর কলম্বোতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরি। এর আগেই নামের পাশে লেখা হয়ে গেছে ৭৯ টি ওয়ানডে ম্যাচ।
১৯৯৬: ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক (৫২৩)। সে বছরই ভারতীয় দলের অধিনায়কের দায়িত্ব নেন শচিন টেন্ডুলকার। যদিও জাতীয় দলের অধিনায়ক হিসেবে খুব একটা সফল ছিলেন না এই কিংবদন্তী। চার বছর মেয়াদে জয় করেন মাত্র চার টেস্ট ও ২৩ ওয়ানডে।
১৯৯৭ : উইজডেনের বিবেচনায় বর্ষসেরা ক্রিকেটারের খেতাব।
১৯৯৮ : মেলবোর্নে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি।
১৯৯৯ : নভেম্বরে রাহুল দ্রাবিড়ের সাথে ওয়ানডের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রানের পার্টনারশিপ (৩৩৯) করেন। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেই ম্যাচেই ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ রানের ইনিংসের (১৮৬) মালিক হয়ে যান শচিন টেন্ডুলকার।
২০০০ : দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের পর অধিনায়কত্ব ছাড়েন।
২০০১ :পোর্ট এলিজাবেথের সেইন্ট জর্জ পার্ক ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বল টেম্পারিংয়ের অভিযোগে এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হন। যদিও এক তদন্তের পর এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয় আইসিসি।
২০০৩ : ৬৭৩ রান করে বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের মর্যাদা পান। আর এটাই টুর্নামেন্টটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রান।
২০০৫ : শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দিল্লীতে ৩৫ তম টেস্ট সেঞ্চুরি করে ছাড়িয়ে যান সুনীল গাভাস্কারের সর্বোচ্চ টেস্ট সেঞ্চুরির রেকর্ডকে।
২০০৬ : ভারতের হয়ে সর্বোচ্চসংখ্যক টেস্ট (১৩৫) খেলার রেকর্ড গড়েন। ছাড়িয়ে যান আরেক কিংবদন্তী কপিল দেবকে।
২০০৭ : জানুয়ারির তিন তারিখ দেশের বাইরে টেস্টে সবচেয়ে রান করার রেকর্ড (৫,৭৫১) করে ছাড়িয়ে যান ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্রায়ান লারাকে। সে বছর জুনে বেলফা দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে’র ইতিহাসে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ১৫,০০০ রান করেন শচিন।
২০০৮ : অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে গড়লেন ওয়ানডের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড। আগস্টে টেস্টের ইতিহাসে তৃতীয় ও প্রথম ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে গড়লেন ১৫০ টি টেস্ট খেলার রেকর্ড। জুনে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ফ্র্যাঞ্চাইজি মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের ‘আইকন খেলোয়াড়’ হিসেবে সাইনিং মানি নিলেন মৌসুম প্রতি ১১ লাখ ২১ হাজার ২৫০ ডলার। সেই বছর ১৭ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১৬ রান করার মধ্য দিয়ে ব্রায়ান লারাকে (১১,৯৫৩) ছাড়িয়ে হয়ে গেলেন টেস্টের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক।
২০১০ : ফেব্রুয়ারির ২৪ তারিখ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডেতে করলেন ২০০ রান। হয়ে গেলেন ওয়ানডে’র ইতিহাসে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির মালিক। এপ্রিলে আইপিএলের তৃতীয় মৌসুমে হলেন সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। আগস্টের তিন তারিখ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে কলম্বোতে সিরিজের তৃতীয় টেস্ট দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার স্টিভ ওয়াহকে ছাড়িয়ে ইতিহাসের সর্বোচ্চ টেস্ট খেলা ক্রিকেটার। ১৯ ডিসেম্বর প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্টে ৫০ তম সেঞ্চুরি পেলেন শচিন।
২০১১ : ভারতের হয়ে মার্চে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জয় করলেন। টুর্নামেন্টে তার ব্যাট থেকে আসে দুটি সেঞ্চুরি। নভেম্বরে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্টের ১৫ হাজার রানের ক্লাবে যোগ দেন।
২০১২ : মার্চে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপে স্বাগতিকদের বিপক্ষে সব ধরনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মিলিয়ে পেয়ে যান শততম টেস্ট সেঞ্চুরি। এই বছরের ২৩ ডিসেম্বর ওয়ানডে ক্রিকেটকে বিদায় জানান।
২০১৩ : অক্টোবরে টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় বলার ঘোষণা দেন। নভেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট দিয়ে বিদায় জানালেন লিটল মাস্টার। প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে গড়েন ২০০ টি টেস্ট খেলার রেকর্ড। শেষ ইনিংসে করেন ৭৪ রান।