জোকস
প্রকাশ : ১৭ নভেম্বর ২০১৩, ২০:০২
একদিন এক কৃষকের বাড়িতে হানা দিলেন এক গোয়েন্দা। সহজ সরল কৃষককে ধমক দিয়ে গোয়েন্দা বললেন, ‘সরে দাঁড়াও, আজ তোমার বাড়িতে তল্লাশি করব!’ কৃষক বললেন, ‘তল্লাশি করতে চান, করুন স্যার। কিন্তু দয়া করে বাড়ির উত্তর দিকের মাঠটাতে যাবেন না।’ কিন্তু কৃষককে কারণ সম্পের্ক বলতে না দিয়েই গোয়েন্দা কৃষকের নাকের ডগায় পরিচয়পত্রটা ঝুলিয়ে বললেন, ‘এটা চেন? এখানে আমার নাম লেখা আছে গোয়েন্দা সের্গেই! এটা দেখলে যে কেউ ভয়ে কুঁকড়ে যায়! আর তুমি কিনা আমার কাজে বাধা দিতে চাও?’ ধমক খেয়ে আর কিছু বললেন না কৃষক। কিছুক্ষণ পরই দেখা গেল, উত্তর দিকের মাঠ থেকে সের্গেইর চিত্কার শোনা যাচ্ছে, ‘বাঁচাও! আমাকে বাঁচাও?’ কৃষক ছুটে গিয়ে দেখলেন, একটা ষাঁড় ছক্কু সের্গেইকে তাড়া করছে। দূর থেকে কৃষক বললেন, ‘স্যার, ওকে আপনার পরিচয়পত্রটা দেখান!’
বান্তার কাছ থেকে টাকা ধার করেছিল সান্তা। দিন যায় মাস যায়, সান্তা তো আর টাকা ফেরত দেয় না। একদিন পাওনা টাকা ফেরত চেয়ে সান্তার কাছে চিঠি পাঠাল বান্তা। বেশ কদিন বাদে এল উত্তর।
‘বন্ধু বান্তা, কেমন আছ? অনেক দিন তোমার দেখা নেই। তোমার চিঠি পেয়েছি। আমি অত্যন্ত দুঃখিত, এত দিন তোমার টাকাটা দিতে পারিনি বলে। আজ চিঠির সঙ্গে টাকা পাঠিয়ে দিলাম। ইতি সান্তা।
পুনশ্চ :ওহ হো! খামের ভেতর টাকা রাখার আগেই ভুল করে চিঠি সমেত খামের মুখটা বন্ধ করে ফেলেছি। তাই আর টাকাটা দেওয়া হলো না। পরের বার পাঠাব অবশ্যই।’
রাস্তার পাশ দিয়ে হাঁটতে থাকা এক লোকের গায়ে লেগে গেল গাড়িটা। গাড়ির ভদ্রলোক রেগেমেগে বেরিয়ে এলেন গাড়ি থেকে।
:দোষ আপনারই। গাড়ি চালানোর অভিজ্ঞতা আমার ১০ বছরের।
:মুখ সামলে কথা বলুন। অভিজ্ঞতা আমারও কম না। আমি ৫০ বছর ধরে রাস্তায় হাঁটছি।