সীতাকুণ্ডে সহিংসতার ঘটনায় পুলিশের চার মামলা
চট্টগ্রাম অফিস ও সীতাকুণ্ড সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১৭ নভেম্বর ২০১৩, ২২:৪০
বিএনপি-জামায়াতের কর্মীদের সঙ্গে শনিবার আইন-শৃংখলা বাহিনীর গোলাগুলির ঘটনায় গতকাল রবিবার পুলিশ বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড মডেল থানায় পৃথক ৪টি মামলা করেছে। পুলিশের উপর হামলা ও নাশকতার অভিযোগে ১০ জনকে আটক করা হয়েছে। শনিবার বিকাল ৪টা থেকে রবিবার ভোর পর্যন্ত পুলিশ-র্যাব ও বিজিবির ওপর চোরাগোপ্তা হামলা চালায় বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা। এ সময় মহাসড়কে দূরপাল্লার যাত্রীদের চরম আতঙ্কের মধ্যে রাত কাটাতে হয়। সীতাকুণ্ড থেকে বাড়বকুণ্ড পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার এলাকায় গণডাকাতির ঘটনাও ঘটে। সংঘর্ষের ঘটনায় ১০ জন গুলিবিদ্ধসহ আহত হয় ৫০ জন। ৩১টি গাড়িতে আগুন দেয়াসহ ভাংচুর করা হয় শতাধিক গাড়ি। পুলিশের করা চার মামলায় বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের দেড়শ’ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত এক হাজার নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে।
এদিকে শনিবার রাতের মত এত ভয়াবহ সহিংসতা কখনও দেখেনি সীতাকুণ্ডবাসী। দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রকাশ্যে দলীয় নেতাকর্মীরা পুলিশের উপর হামলা করে ও ককটেল বোমা নিক্ষেপ করে। পুলিশ এক স্থানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলে জামায়াত-শিবির কর্মীরা অন্য স্থানে গিয়ে পুলিশের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
অন্যদিকে শনিবার রাত ৮টায় মুরাদপুর ইউনিয়নের গোলাবাড়ীয়া এলাকার উপজেলা চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে একদল সন্ত্রাসী একই এলাকার মো. খুরশীদ আলমের ছেলে উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্র মো. নুরল আলমকে (১৫) শিবির সন্দেহে হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে সীতাকুণ্ড মডার্ণ হাসপাতালে প্রেরণ করে।