এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি
প্রকাশ : ১৮ নভেম্বর ২০১৩, ১৮:০০
জীববিজ্ঞান প্রথমপত্র
মোহাম্মদ আক্তার-উজ-জামান
প্রভাষক, উদ্ভিদবিদ্যা
রূপনগর মডেল স্কুল ও কলেজ
মিরপুর, ঢাকা।
অধ্যায়-১ :উদ্ভিদের বিভিন্নতা
পরিচ্ছেদ-১ :উদ্ভিদজগতের শ্রেণিবিন্যাস
শিক্ষার্থীরা, আজ তোমাদের জন্য থাকছে জীববিজ্ঞান প্রথমপত্রের ১ নম্বর অধ্যায়ের প্রথম পরিচ্ছেদ থেকে একটি সৃজনশীল প্রশ্নোত্তর।
(i) Raphanus sativus (মূলা)
(ii) Brassica napus (সরিষা)
(iii) Oryza sativa (ধান)
প্রশ্ন:ক. বৃক্ষ কাকে বলে?
প্রশ:খ. কৃত্রিম শ্রেণিবিন্যাস বলতে কী বুঝায়?
প্রশ্ন:গ. উদ্দীপকের নামগুলো লেখার ক্ষেত্রে কী কী নিয়মাবলী অনুসরণ করতে হয়?
প্রশ্ন:ঘ. উল্লিখিত নাম প্রদানের গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।
উত্তর:ক. সুস্পষ্ট একক কাণ্ডবিশিষ্ট উঁচু কাষ্ঠল উদ্ভিদকে বৃক্ষ বলা হয়।
উত্তর:খ. উদ্ভিদের স্বরূপ অথবা ২/১টি বিশেষ বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে উদ্ভিদজগতের যে শ্রেণিবিন্যাস করা হয় তাকে কৃত্রিম শ্রেণিবিন্যাস বলে। থিয়োফ্রাস্টাস এবং লিনিয়াসের শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি কৃত্রিম শ্রেণিবিন্যাসের উদাহরণ।
উত্তর:গ. উদ্দীপকের নামগুলোকে বলা হয় দ্বিপদ নামকরণ বা বৈজ্ঞানিক নাম। নামগুলো লেখার ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত নিয়মাবলী অনুসরণ করতে হয়:
১. কোন জীব প্রজাতির নাম দুটি পদ নিয়ে গঠিত হবে।
২. দ্বিপদ নামের প্রথম অংশটি গণ নাম ও দ্বিতীয় অংশটি ঐ গণের প্রজাতিক পদ।
৩. ল্যাটিন ভাষায় দ্বিপদ নাম গঠন করতে হবে।
৪. নামকে বৈধভাবে প্রকাশিত হতে হবে।
৫. গণ নামের প্রথম অক্ষর বড় হাতের হবে, প্রজাতিক পদের সব অক্ষরই ছোট হাতের হবে।
৬. নামের শেষে নাম প্রদানকারী বিজ্ঞানীর নাম লিখতে হবে (প্রয়োজনে সংক্ষিপ্তভাবে)।
৭. কেবলমাত্র প্রজাতির ক্ষেত্রে দ্বিপদ নাম প্রযোজ্য হবে।
৮. নামের অবশ্যই একটি টাইপ নির্দেশনা থাকতে হবে।
৯. একটি প্রজাতির একটিমাত্র শুদ্ধ নাম থাকবে। প্রকাশের অগ্রাধিকারভিত্তিতে শুদ্ধ নাম নির্ণয় করতে হবে।
১০. দ্বিপদ নাম ইটালিক বা মোটা অক্ষরে ছাপাতে হবে।
১১. দ্বিপদ নাম হাতে লিখলে ইংরেজি অক্ষর ব্যবহার করতে হবে এবং অংশ দুটির নিচে (গণ ও প্রজাতিক পদ) আলাদা আলাদাভাবে দাগ দিতে হবে।
১২. প্রজাতির উপরের স্তরের (যেমন: বিভাগ, শ্রেণি ইত্যাদি) নাম হবে একপদী।
উত্তর: ঘ. প্রতিটি উদ্ভিদের একটি সাধারণ বা আঞ্চলিক নাম থাকে। আঞ্চলিক নাম দ্বারা বিশেষ অঞ্চলের বা বিশেষ ভাষার লোক ছাড়া একটি উদ্ভিদকে চিনতে পারে না। সমস্ত বিশ্বের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হলো দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি। উদ্দীপকে তিনটি উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নাম দেয়া আছে। উল্লিখিত উদ্ভিদের নামকরণের গুরুত্ব নিম্নে উল্লেখ করা হলো:
১. সাধারণ বা প্রচলিত নাম অপেক্ষা এ নাম যথাযথ ও অধিক নির্দিষ্ট।
২. বহু ভাষায় বহু নামের জটিলতা পরিহার করা।
৩. একক নামে বিশ্বের সকল ভাষার লোকের কাছে পরিচয় করানো।
৪. সকল প্রজাতির নামের মাঝে একটি সমতা আনা।
৫. একটি উদ্ভিদ কোন গণের অন্তর্গত তা জানতে পারা।
৬. উদ্ভিদ শনাক্তকরণ ও উদ্ভিদ সম্পর্কিত লব্ধ জ্ঞানের আদান-প্রদান সহজ হয়।