প্রাথমিক শিক্ষকের শূন্য পদগুলো
পূরণের জন্য একটি আবেদন
প্রকাশ : ১৮ নভেম্বর ২০১৩, ২১:০৩
ভারতসহ উন্নত দেশগুলোতে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা আমাদের থেকেও বেশি। অর্থাত্ ৩৫ পর্যন্ত।সেখানে শিক্ষার ক্ষেত্রে আরো বেশি বয়স হলেও ধরাবাধা নিয়ম নেই। একজন শিক্ষকের বয়স বেশি হবে এটাই স্বাভাবিক। সেক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা এবং মেধা যাচাই করা যেতে পারে। তা না হয়ে আমাদের দেশের নিয়ম অন্যরকম হয়ে চলেছে দিনের পর দিন। বয়স নয় বরং মেধা ও অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দিয়ে সরকারি অন্য কোথাও না হলেও শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে শিক্ষার মান কমবে না অনেক বেশি বাড়বে।
আমরা যারা মাস্টার্স পাস অথচ সার্টিফিকেটের বয়স ৩২-এর বেশি, আমাদের জন্য সরকারি অন্য সেকশনে না হলেও শিক্ষকতার জন্য যেন দরখাস্ত করতে পারি, সেই সুযোগ উন্মুক্ত রাখা উচিত। এক্ষেত্রে আমরা (যাদের বয়স ৩২-এর বেশি) শুধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষকের পদে দরখাস্ত করতে পারি। কারণ এখানে বয়স ৩৫ উল্লেখ করা হয়। কিন্তু অনেক দেরিতে এই পদে লোক নিয়োগ হয় এবং পরিমাণে অল্প। এর মধ্যে বিভিন্ন কোটা অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। এতে আমরা বয়স্ক চাকরি-প্রার্থীরা অনেক পিছিয়ে থাকি। এক্ষেত্রে কোটা নয় বরং মেধাকে প্রধান্য দেওয়া হোক। বাংলাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে এখনও অনেক প্রধানশিক্ষকের পদ শূন্য। তাই ২০১৩ সালে প্রধানশিক্ষকের শূন্য পদগুলোতে নিয়োগদান করলে আমাদের বেকারত্ব ঘোচে। বিশেষ করে আমরা যারা সরকারি চাকরির নির্ধারিত ৩২ বছর পেরিয়ে এসেছি। এতে করে শিক্ষকের শূন্যতা দূর হবে। সুতরাং ২০১৩ সালের মধ্যেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রদান এবং সহকারী শিক্ষকের নিয়োগের বয়স ৩৫ করার জন্য আমরা মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী, প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রীর কাছে আমাদের আকুল আবেদন জানাচ্ছি। এক্ষেত্রে বয়স্ক শিক্ষক নয়; অভিজ্ঞ শিক্ষক পাওয়া যাবে সহজেই। আশা করি বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
আলমগীর কবির, মধুবাজার, পশ্চিম ধানমন্ডি , ঢাকা