প্রি য় মু খ .......................
ফিবা যেভাবে ফেভারিট
প্রকাশ : ১৯ নভেম্বর ২০১৩, ১৯:০৯
‘বিতার্কিক হতে অবশ্যই মঞ্চের ভয় কাটাতে হবে। ভয় নিয়ে অনেকের আর বিতার্কিক হয়ে ওঠা হয় না। সাহস করে শুরু করা জড়তা কাটিয়ে ওঠার জন্য যথেষ্ট। এটুকুর জন্য চাই আত্মবিশ্বাস। পাছে লোকে কিছু বলে ধরনের মানসিকতা নিয়ে বিতর্কে ভালো করা যায় না।’ বিতর্ক নিয়ে এভাবেই বলছিলেন ফারাহ নাজ নাহার ফিবা। যুক্তি-তর্কের মানুষ ফিবা। পড়ছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃ-বিজ্ঞান বিভাগে। লালমনিরহাটের মেয়ে ফিবা। বাবা ফেরদৌস আহাম্মেদ ও মা রওশন আরা বেগম। বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান ফিবা। সুন্দর মুখের মেয়েটা বিতর্ক শুরু করেন স্কুলে পড়াকালীন সময়ে।
ফিবা বলেন, বিতর্ক করার শখ ছিল স্কুল জীবন থেকেই। তবে সুযোগ ছিল না খুব বেশি। কলেজ জীবনে আন্তঃজেলা বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেও বিভাগীয় পর্যায়ে গিয়ে বিতর্ক করা হয়ে ওঠেনি। সংসদীয় বিতর্কের হাতেখড়ি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে।
ফিবা আরো বলেন, অংশগ্রহণ করেছি— ঢাবি, জাবি, আশা, ইউ.আই.ইউ, ইস্ট-ওয়েস্ট, ড্যাফোডিল, প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির বিতর্ক উত্সবে। চ্যাম্পিয়ন হয়েছি প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি, আশা ইউনিভার্সিটিতে। আর রানারআপ হয়েছি ঢাবি, জাবি, ইউ.আই.ইউ, ইস্ট-ওয়েস্ট, ড্যাফোডিলে।
বিতর্ক ছাড়াও ছোট গল্প ও কবিতা লেখার শখ আছে ফিবার। ২০০৬-এ একুশে বই মেলায় একটি বইয়ে কবিতা প্রকাশিত হয়েছে। তাছাড়া একটি আঞ্চলিক পত্রিকায় বিভিন্ন সময় ছোট গল্প প্রকাশিত হয়েছে। ভালো সংগঠক হিসেবে সুনাম রয়েছে ফিবার। সহ-সভাপতি ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটি ডিবেট অর্গানাইজেশনের। টিআইবি-এর সহযোগিতায় বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আয়োজিত নারী বিতার্কিকদের অংশগ্রহণে ‘প্রথম নারী বিতর্ক উত্সব ২০১২’ এর আহ্বায়ক ছিলেন। আছেন জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সঙ্গে। জাহাঙ্গীরনগর সাংবাদিক সমিতিরও সদস্য ছিলেন।
পড়াশুনা চলাকালীন সময়ে বিশ্বব্যাংক ও এশিয়া ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করেছেন। বর্তমানে ডিনেট নামের একটি এন.জি.ওতে রিসার্চ এসিসটেন্ট হিসেবে কর্মরত আছেন। ঘুরতে এবং বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে খুব ভালো লাগে মেয়েটার। ভবিষ্যতে পাবলিক হেলথ নিয়ে কাজ করতে চান ফিবা।