পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সাত
প্রকাশ : ১৯ নভেম্বর ২০১৩, ২০:২৫
দেশের বিভিন্ন স্থানে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় সাতজন মারা গেছেন। খবর— ইত্তেফাক প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের।
পঞ্চগড়
পঞ্চগড়ের বোদা-দেবীগঞ্জ সড়কের শিমুলতলী এলাকায় গত সোমবার ভোর রাতে সড়ক দুর্ঘটনায় শাহাবুদ্দিন (২৪) নামে এক ব্যক্তি মারা যান।
মেহেরপুর
মেহেরপুর সদর উপজেলার বুড়িপোতা ও গাংনী উপজেলার ওলিনগরে গত সোমবার পৃথক ২টি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রভা নামে এক স্কুল ছাত্রী নিহত এবং ২ যুবক আহত হন। নিহত প্রভা গাংনী উপজেলার ওলিনগর গ্রামের পান্জাব আলির মেয়ে। এদিকে সদর উপজেলার বুড়িপোতা সড়কের যাদুবপুর এলাকায় মোটর সাইকেল ও বাইসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন মারাত্মক আহত হন। আহতদের মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
নবীনগর উপজেলার সলিমগঞ্জ বাজারে গত সোমবার অটোরিকশার চাপায় নোহা আক্তার মনিরা (১১) নামে এক স্কুল ছাত্রী মারা যান। সে নাসিরাবাদ গ্রামের মো. জাফর আলীর মেয়ে সলিমগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। স্কুলে যাওয়ার পথে রাস্তা পার হওয়ার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ)
হালুয়াঘাটের গড়পাড়া এলাকায় গত সোমবার সন্ধ্যায় সড়ক দুর্ঘটনায় আলমগীর (২০) নামে এক ব্যক্তি মারা যান। সে ফুলপুর উপজেলার নাকাগাঁও গ্রামের মতিউর রহমানের পুত্র।
মিরসরাই (চট্টগ্রাম)
মিরসরাইয়ের সোনাপাহাড় এলাকায় গত সোমবার বিকালে কাভার্ডভ্যান ও সিএনজি অটোরিকশার মুখোমুখি সংর্ঘষে অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তি নিহত ও নুরুন নবী নামে একজন আহত হন। আহত ব্যক্তিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিত্সা দেয়া হয়।
কালীগঞ্জ (গাজীপুর)
টঙ্গি-ঘোড়াশাল মহাসড়কের বড়নগর বাইপাসে গত সোমবার লড়ি চাপায় আরাফাত (২২) নামে এক লড়ি হেলপার নিহত হন। ইট ভর্তি লড়িটি একুতা থেকে পূবাইল যাওয়ার পথে বড়নগর বাইপাসে পৌঁছলে পা পিছলে আরাফাত পড়ে গেলে মাথা থেতলে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা)
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ধনুসাড়া গ্রামের পেয়ার আহমদের স্ত্রী নূর নাহার বেগম (৩০) নামে এক সিরিঞ্জ ফ্যাক্টরির কর্মী মারা যান। সে গত বৃহস্পতিবার বিকালে বাড়ি ফেরার পথে ফ্যাক্টরির সামনে মোটর সাইকেল চাপায় আহত হয়ে কুমিল্লার একটি হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় গত সোমবার মারা যান।