জোকস

 এক দুর্ঘটনার পর কানে কিছুটা আঘাত পেলেন এক সর্দারজি। ডাক্তার জানিয়ে দিলেন, তার শ্রবণশক্তি আবারও স্বাভাবিক হতে কম করে হলেও ছ’মাস সময় লাগবে। এ ছাড়া এই সময়ের জন্য সর্দারকে একটি শ্রবণ সহায়ক যন্ত্র বা হিয়ারিং এইড কেনারও পরামর্শ দিলেন ডাক্তার। ডাক্তারের এই পরামর্শ শুনে স্থানীয় একটি ফার্মেসিতে হিয়ারিং এইড কিনতে গেলেন সর্দার। জানতে চাইলেন এখান থেকে একটি হিয়ারিং এইড কিনতে হলে কত লাগবে। দোকানি জানালেন, তার কাছে ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০০০ টাকা দামের হিয়ারিং এইড আছে। কিন্তু এতে খুব একটা সন্তুষ্ট হতে পারলেন না সর্দারজি। তিনি বললেন, ‘দেখ হে, মাত্র ছ’মাসের জন্য এত টাকা খরচ করার কোনো মানে তো দেখছি না! তুমি কি আমাকে এরচেয়ে কম দামের কিছু দেখাতে পারো না?’ সর্দারজির এই কথা শুনে দোকানি পেছনের তাক থেকে একটা হিয়ারিং এইড বের করে সর্দারকে জানালেন যে তিনি চাইলে মাত্র ১০০ টাকা খরচ করেই এটা কিনতে পারেন। সর্দারজি এটা কানে গুঁজে নিয়ে দোকানির কাছে জানতে চাইলেন কীভাবে এটা চালু করতে হয়। দোকানী তখন বেশ বিরক্ত হয়েই বললেন, ‘দেখুন এটা চালু হয় না। তবে আপনার কানে এ রকম কিছু গোঁজা দেখলে আপনাতেই আশপাশের মানুষ বেশ জোরে কথা বলতে শুরু করবেন। আর তাতেই আশা করি আপনার কাজ চলে যাবে!’  সান্তা :কী খবর হে বান্তা। নতুন ফোন কেনার পর মাত্র একদিনই আমাকে ফোন দিলে। আর তো খবরই নেই। বান্তা :আর বলো না, ফোন নিয়ে আমি খুবই বিপদে আছি। সান্তা :কেন কী হয়েছে? বান্তা :আর বলো না, কোথা থেকে যেন এক পাজী মেয়ে আমার নম্বরটা পেয়েছে। আর যখনই আমি তোমাকে ফোন করতে যাই তখনই সে ফোনের মাঝখানে ক্রস কানেকশন করে ঢুকে পড়ে। আর প্রতিদিনই শুধু একই কথা বলে। সান্তা :কী বলে বলতে পারো? বান্তা :সে আর পারবো না। ইংরেজিতে বললেও এতবার কথাটা শুনেছি যে মুখস্ত হয়ে গেছে। কথাটা হলো, ‘প্লিজ রিচার্জ ইওর অ্যাকাউন্ট।’