আপেল-আঙ্গুরের জুসে ক্ষতিকর আর্সেনিক

এবার বিশেষজ্ঞগণ আপেল ও আঙ্গুরের জুসে মারাত্মক ক্ষতিকর আর্সেনিক সনাক্ত করেছেন। কনজিউমার রিপোর্টে এ তথ্য দেয়া হয়। শুধু এবারই প্রথম নয় ২০১০ সালেও সেন্ট পিটার্সবার্গ টাইমস-এর এক রিপোর্টে আপেল ও আঙ্গুরের জুসে খাবার পানি অপেক্ষা তিনগুণ বেশি আর্সেনিকের পরিমাণ সনাক্ত হয় বলে রিপোর্ট দেয়। এ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের এফডিএর গাইড লাইনের চেয়ে বেশি আর্সেনিক সনাক্ত হয়েছে শতকরা ১০ ভাগ বিভিন্ন ধরনের জুসে। যুক্তরাষ্ট্রের ফুড এন্ড ড্রাগ প্রশাসন আরও বলছে, আপেল, গ্রেপ ও অন্যান্য ফলের রসে সামান্য পরিমাণ আর্সেনিক থাকতেই পারে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের রিপোর্টের ফলাফল তাদেরকে ভাবিয়ে তুলেছে। তাই প্রতিষ্ঠানটি নাগরিকদের যে কোন ধরনের ফলের রস বা জুস পানের পূর্বে উত্পাদক কোম্পানি এবং কোন দেশের তা ভালভাবে দেখে নিতে বলেছেন। এদিকে, বাংলাদেশে বিভিন্ন দেশ থেকে আপেল, আঙ্গুরসহ বিভিন্ন ধরনের জুস বা ফলের রস ও অন্যান্য বেভারেজ আনা হয়। এসব ফলের রসে আর্সেনিকের মত ক্ষতিকর উপাদান পাওয়া যায় কিনা তা পরীক্ষা করে দেখা দরকার। বিএসটিআই বা বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউট এধরনের ফলের রস আমদানীর অনুমোদন দিয়ে থাকে। পাশাপাশি বাংলাদেশের অনেক কোম্পানী এখন জুস ও অন্যান্য বেভারেজ তৈরি করে। এসব জুস নিরাপদ কিনা তাও দেখা দরকার। লেখক : চুলপড়া, এলার্জি, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ