জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে আবারো পুলিশের ব্যাপক গুলি বিনিময়

সীতাকুণ্ডে আবারো জামায়াত-শিবিরের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। এসময় তিন শতাধিক রাউন্ড গোলাগুলি ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে কয়েকটি তাজা ককটেল বোমাসহ জামায়াত-শিবিরের ৯ কর্মীকে আটক করেছে। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে সীতাকুণ্ড উপজেলার পৌরসভার পশ্চিম আমিরাবাদ এলাকায় পুলিশ-বিজিবি ও র্যাব ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নাশকতা, গাড়ি পোড়ানো ও ভাংচুরের ঘটনায় জড়িত জামায়াত-শিবিরের কর্মীদের আটক করতে সাঁড়াশি অভিযানে নামে। অভিযানের খবর পেয়ে জামায়াত-শিবির কর্মীরা সংগঠিত হয়ে পুলিশের উপর আক্রমণের চেষ্টা চালায়। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা আক্রমণ করে। শিবির কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ও ককটেল বোমা ছুঁড়লে পুলিশও পাল্টা গুলি করে। এসময় ৩ শতাধিক রাউন্ড গুলি বিনিময় হয়। রাত ১টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত পুরো আমিরাবাদ এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। আইন-শৃংখলা বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযানে এক পর্যায়ে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা পিছু হঠতে বাধ্য হয়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ৯ জামায়াত-শিবির কর্মীকে আটক করে। তবে এ ঘটনায় হতাহতের কোন খবর পাওয়া যায়নি। আটককৃতরা হলেন- সীতাকুণ্ড পৌরসভার পশ্চিম আমিরাবাদ এলাকার, নিজাম (৩২), গফুর ইসলাম (২৮), আরিফ (১৮), ফারুক (২০), সাইফুল ইসলাম (২৫), শাহাদাত্ (১৯) ও মোহাম্মদ আলী (৩৬)। এসময় কয়েকটি ককটেল বোমাও উদ্ধার করে পুলিশ। সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম বদিউজ্জামান বলেন, জামায়াত নেতা আমিনুলের গ্রেফতারকে কেন্দ্র করে জামায়াত-শিবির কর্মীরা রবিবার রাতে ১৪টি গাড়িতে আগুন দেয়। এসময় কয়েকশ’ গাড়ি ভাংচুর করে। সোমবার রাতে মহাসড়কে নাশকতার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশ মাহামুদাবাদ এলাকায় অভিযানে নামে। এসময় জামায়াত-শিবির কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়লে পুলিশ দেড়শ’ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে তাদের ছত্র ভঙ্গ করে দেয়। সীতাকুণ্ড উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আবু তাহের বলেন, পুলিশ রাতে বিভিন্ন বাড়িতে অভিযানের নামে ব্যাপক ধরপাকড় করেছে। এসময় তারা জামায়াত-শিবিরের ৯ সমর্থককে আটক করে নিয়ে গেছে।