খেয়াল খুশিতে চলে ফুলছড়ির কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার অধিকাংশ কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের খেয়াল খুশিমত কর্মস্থলে আসা-যাওয়া করছেন। ফলে বিশাল জনগোষ্ঠী চিকিত্সা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অবহেলিত গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় চিকিত্সা সেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে সারা দেশব্যাপী বন্ধ হওয়া কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো বর্তমান সরকার ২০০৯ সালে পুনরায় চালু করে। প্রতিটি ক্লিনিকে ১ জন সিএইচসিপি ১ জন স্বাস্থ্য সহকারী ও ১ জন পরিবার পরিকল্পনা সহকারী নিয়োগ দেয়া হয়। সরেজমিন গত সোমবার সকাল সোয়া এগারটার দিকে ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের চন্দিয়া কমিউনিটি ক্লিনিকে গিয়ে দেখা যায় ক্লিনিকের দরজায় তালা ঝুলছে। উপজেলার ধনারপাড়া গ্রামের দছিজল হকের স্ত্রী আছিয়া বেগম (৬৫), মৃত আব্দুল কুদ্দুছের স্ত্রী জয়গুন বেগম (৭০), মহুবর রহমানের স্ত্রী রাহিলা বেওয়া (৫৫), আব্দুর রহিমের স্ত্রী মমেনা বেগম (৫০), হোসেনপুর গ্রামের আব্দুল আজিজের স্ত্রী খুকি বেওয়া (৬৫), শুকরু মিয়ার স্ত্রী নছির বেওয়া (৫৮) এবং চন্দিয়া গ্রামের মোজাফর মিয়ার স্ত্রী ফেরদৌছি বেগম (৪০) এক ঘন্টা ধরে অপেক্ষা করে দাঁড়িয়ে আছেন কখন ক্লিনিক খুলবে। তারা জানান, সকাল থেকে তারা অপেক্ষা করছেন চিকিত্সা সেবা নেয়ার জন্য। কিন্তু ক্লিনিক খোলার নাম নাই। খুলবে কিনা তাও জানার কোন লোক পাওয়া যাচ্ছে না। এ প্রসঙ্গে চন্দিয়া কমিউনিটি ক্লিনিকের সভাপতি ও স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুর রহমান লিটন বলেন, এ সংক্রান্ত অভিযোগ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার দেয়া হলেও কোন প্রতিকার পাওয়া যায়নি। ফুলছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার অমল চন্দ্র সাহা (এসি সাহা) বলেন, গত সোমবার ওই ক্লিনিকের কেউ ছুটি নেয়নি। ক্লিনিক না খোলার কারণ তিনি জানেন না।