‘চট্টগ্রাম বিমান বন্দর স্বর্ণ চোরাচালানের নিরাপদ রুট’

চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমান বন্দরে আবারও গতকাল বুধবার দুবাই থেকে আসা বিজি-০৪৮ বিমানে তল্লাশি করে ১ যাত্রীর কাছ থেকে কাস্টমস কর্মকর্তারা ৮ কেজি স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে। বারগুলো দুবাই থেকে আসা যাত্রী জামাল উদ্দিনের ব্যাগের মধ্যে লুকানো ছিল। এসব স্বর্ণের আনুমানিক দাম ৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। এছাড়া গত ২ ও ১৮ নভেম্বর চট্টগ্রাম বিমান বন্দরে ২ টি স্বর্ণের চালান আটক করা হয়। এই নিয়ে মোট ৬টি স্বর্ণের চালান কাস্টমস কর্মকর্তারা আটক করে। এসব ঘটনায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর চোরাচালানকারীদের নিরাপদ রুটে পরিণত হয়েছে বলে অভিজ্ঞ মহল মন্তব্য করেন। চট্টগ্রাম বিমান বন্দর কাস্টমস কর্মকর্তারা ইত্তেফাককে জানান, দুবাই থেকে আসা দুবাই এয়ারলাইন্সের বিজি-০৪৮ বিমানটি চট্টগ্রাম বিমান বন্দরে গতকাল সকাল ১০টায় অবতরণ করে। কাস্টমস কর্মকর্তারা তাদের নিয়মিত তল্লাশি চালাতে গেলে স্বর্ণের বারগুলো দুবাই থেকে আসা যাত্রী জামাল উদ্দিনের ব্যাগের গোপন অংশ থেকে উদ্ধার করা হয়। জামাল উদ্দিনকে পতেঙ্গা থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে ১২৮টি স্বর্ণের বার শুল্ক গোয়েন্দারা গত ১৮ নভেম্বর আটক করেন। চট্টগ্রাম বিমান বন্দর কাস্টমস সূত্র জানায়, চলতি বছরের গত জুলাই মাসে চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমান বন্দরে বিদেশ থেকে আসা এক যাত্রীর কাছ থেকে ১৭ কেজি ওজনের ১৪৬টি স্বর্ণের বার উদ্ধার হয়। এই বিমান বন্দরে ৪১০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের চেইনসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয় গত ১ সেপ্টেম্বর। তার কাছে ৪টি সোনার বারও পাওয়া যায়। এছাড়া গত ১ অক্টোবর চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমান বন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের দোহা থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে ১৪টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। এছাড়া বিমান বন্দরের শুল্ক গোয়েন্দারা গত ২ নভেম্বর ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিমান বন্দরে মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ৪১টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করে।