নাটমণ্ডলে ‘বসন্ত জাগরণ’ মঞ্চস্থ হবে সপ্তাহজুড়ে
প্রকাশ : ২১ নভেম্বর ২০১৩, ২৩:১৭
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটমন্ডলে আজ শুক্রবার মঞ্চস্থ হচ্ছে ‘বসন্ত জাগরণ’ মঞ্চনাটক। আজ থেকে পুরো সপ্তাহজুড়ে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টায় প্রযোজনাটি মঞ্চস্থ হবে একই মঞ্চে। নতুন প্রযোজনা নিয়ে এমন অভিনব আয়োজন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগ। যেটি আগে ছিল নাট্যকলা বিভাগ। গতকাল বৃহস্পতিবার নাটকটি’র প্রেস শো অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রখ্যাত জার্মান নাট্যকার ফ্রাঙ্ক ওয়েডেকিন্ড অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষের দিকে রচনা করেন ‘স্প্রিং এওয়েকিং’। যার নব্য ভাষান্তর ও বিনির্মাণ ‘বসন্ত জাগরণ’। সাড়া জাগানো এই নাটকটি জার্মান ভাষা থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ করেন টম অসবর্ন। ইংরেজি অনুবাদ থেকে নাটকটির ভাষান্তর, বিনির্মাণ ও পরিচালনা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগীয় শিক্ষক শাহমান মৈশান। নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ৫ম সেমিস্টারের শিক্ষার্থীরা।
‘বসন্ত জাগরণ’ নাটকটির পোশাক পরিকল্পনায় রয়েছেন ওয়াহীদা মল্লিক জলি, মঞ্চ-আলোক-দ্রব্য পরিকল্পনায় আশিকুর রহমান লিয়ন, সংগীত পরিকল্পনা ড. সাইম রানা এবং মুভমেন্টে অমিত চৌধুরী।
নাটকটিকে ‘আমাদের ছেলেবেলা-মেয়েবেলার স্মৃতির স্মারক’ হিসেবে উল্লেখ করে নাট্যকার ও নির্দেশক শাহমান মৈশান বলেন, ‘এই নাট্য জাগ্রতজীবনের বসন্তের কথা যেমন বলে, তেমন মৃত্যু নামে অন্য এক চিরন্তনী সত্যের কথাও বলে। জীবন যদি এক বসন্ত হয়, তবে মৃত্যুও অন্য এক বসন্তেরই রূপক।’
শিল্পকলায় মাহিদুলের আবৃত্তি সন্ধ্যা
গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আবৃত্তিশিল্পী মাহিদুল ইসলামের একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান মুগ্ধ করেছে শ্রোতাদের। নানা আঙ্গিকের কবিতা নিয়ে মাহিদুল ইসলাম সাজিয়েছিলেন নিজের ১২তম একক আবৃত্তিসন্ধ্যা ‘বেলা অবেলার কাব্য’। শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে আয়োজন করে আবৃত্তিমেলা এবং স্বরচিত্র।
তিন পর্বে বিভক্ত ছিল আবৃত্তিসন্ধ্যাটি। প্রথমেই অনুষ্ঠানের শিরোনামের ‘বেলা অবেলার কাব্য’। ২য় পর্বের নাম ছিল ‘পুনরাবৃত্তি’। আর শেষ পর্বটি তিনি সাজিয়েছিলেন দর্শক-শ্রোতাদের অনুরোধের কবিতা দিয়ে। সবমিলিয়ে অনুষ্ঠানে আবৃত্তিকার অর্ধশতাধিক কবিতা আবৃত্তি করেন।