‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হলে মুক্তিযুদ্ধের তাত্পর্য নষ্ট হয়ে যাবে’

দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হলে মুক্তিযুদ্ধের তাত্পর্য নষ্ট হয়ে যাবে। এ বিষয়ে সকলকে সোচ্চার থাকার আহবান জানিয়েছে নাগরিক প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। তারা বলেছেন, ২০০১ সাল থেকে এ পর্যন্ত সংখ্যালঘুদের উপর যতগুলো হামলা হয়েছে, তার একটি ঘটনারও বিচার হয়নি। যার কারণে বিচারহীনতার সংস্কৃতি পেয়ে বসেছে এ দেশে। এটি একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ। বৃহস্পতিবার সকালে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে ‘নাগরিক প্রতিনিধি দল’ আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তারা এসব কথা বলেন। সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. নূর মোহাম্মদ তালুকদার। এসময় আরো বক্তব্য রাখেন প্রবীণ রাজনীতিবিদ পঙ্কজ ভট্টাচার্য, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাষ্টি জিয়াউদ্দিন তারিক আলী, ওয়ার্কার্স পার্টির পলিট ব্যুরো সদস্য বিমল বিশ্বাস। আরও উপস্থিত ছিলেন আইইডি’র নির্বাহী পরিচালক নুমান আহম্মদ খান, সাংবাদিক সালিম সামাদ, আদিবাসী নেতা দীপায়ন খীসা প্রমুখ। সাংবাদিক সম্মেলন পরিচালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস। গত ১৪ নভেম্বর বরিশালের চরকাউয়া ইউনিয়নের কালীখোলা গ্রামের ব্যাডমিন্টন খেলাকে কেন্দ্র করে কিছু যুবকের ঝগড়া ও মারামারিতে এক যুবকের মৃত্যু ঘটে। এর পরদিন আরো একটি মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে দিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রামের শত শত লোক জড় হয়ে হিন্দু পাড়ায় লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে। এ খবর গণমাধ্যমে আসলে সরেজমিন পরিদর্শনে যান ‘নাগরিক প্রতিনিধি দল’। সেখান থেকে ফিরে প্রতিনিধিরা সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, কেবল খেলাকে কেন্দ্র করে এতো বড় ঘটনা ঘটতে পারে না। বিষয়টি অনুসন্ধানের দাবি রাখে।