মাদুর বুনিয়ে জিপিএ-৫ পেল আশা মুনি

  আব্দুর রউফ রিপন

 

বাবা ছিলেন রাজমিস্ত্রি। তিন ভাই-বোনের মধ্যে আশা সবার ছোট। ভালোই চলছিল দিনমজুরের সংসার। কিন্তু চিকিত্সার অভাবে বাবা মারা যাওয়ার পর বড় ভাইয়ের আয় আর মাদুর তৈরি করে কোনো মতে চলছিল সংসার। নিজের পড়াশোনার খরচ জোগানোর জন্য মাদুর তৈরি করতো আশা মুনি। নিজের চেষ্টা আর স্কুলের শিক্ষক ও কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় চলতো আশা মুনির পড়ালেখা। আশা মুনি নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার দড়িয়াপুর গ্রামের মৃত-আজাদ হোসেনের মেয়ে। সে চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় সায়েম উদ্দিন মেমোরিয়াল একাডেমি থেকে কারিগরি (ভোকেশনাল) বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে। কিন্তু বর্তমানে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করা নিয়ে সে নিজে এবং তার গরিব-অসহায় পরিবার অনেকটাই অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। আমার এই ফলাফলের পেছনে পরিবার ও স্কুল শিক্ষক এবং স্কুল কর্তৃপক্ষের অসীম ভূমিকা রয়েছে। আমার পরিবারের পক্ষে আগামীতে পড়ালেখার খরচ জোগানো অনেক কষ্টসাধ্য। তাই জানি না আমি উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করতে পারবো কি না। তবে আমার ইচ্ছে আমি দেশের সব পড়াশোনা শেষ করে দেশ ও গরিব-অসহায় মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। আমার পরিবার এখন আমাকে বিয়ে দিতে চায়। কিন্তু আমি আরো পড়ালেখা করতে চাই।