কালীগঞ্জে ঝুঁকিপূর্ণ স্কুল ভবনে পাঠদান

কালীগঞ্জে পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ স্কুল ভবনে লেখাপড়া করছে কোমলমতি শিশুরা। যে কোন মুহূর্তে ধসে পড়ে প্রাণহানির মত ঘটনা ঘটতে পারে। উপজেলার পৌর এলাকার ৩২ বছরের পুরনো ৪ কক্ষ বিশিষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ, দরজা-জানালা ভাঙ্গা ২৯নং মুনশুরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৮ জন শিক্ষক ২৭৪ শিক্ষার্থীকে পাঠদান করছেন। ভবনটিতে প্রধান শিক্ষকের অফিস কক্ষ, শিশু ও তৃতীয় শ্রেণী রয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, শিশু শ্রেণীর ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা মাটিতে বসে লেখাপড়া করছে। এই ভবনটি ছাড়াও উত্তর পাশের টিনসেড ভবনটির অবস্থা এতই নাজুক যে সামান্য বৃষ্টিতেই কক্ষগুলো পানিতে ভিজে যায়। এই ভবনে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হয়। দক্ষিণ পার্শ্বের নতুন ভবনটিতে চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা পাঠগ্রহণ করে। বিকল্প শ্রেণী কক্ষে পাঠদানের কথা থাকলেও পর্যাপ্ত স্থান না থাকায় বাধ্য হয়ে প্রধান শিক্ষকের অফিস কক্ষও শিশুদের শ্রেণীকক্ষ হিসেবে ব্যবহার করছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আফরোজা সুলতানা বলেন, প্রতিটি কক্ষের চান্দিনা থেকে বিরাট আকারে চল্টা পড়ে ছাত্র-শিক্ষক আহত হয়েছে। চান্দিনার লোহায় মরিচা ধরায় ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ায় সমস্ত রডগুলো বাহির হয়ে গেছে। জরাজীর্ণ স্কুল ভবনটি অভিভাবকদের মনে সাভারের রানা প্লাজার ভবন ধসের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। তাই তারা ছেলে-মেয়েদের নিয়ে সর্বদাই আতংকের মাঝে থাকে।