সঙ্কট নিরসনের এখনো সুযোগ আছে :স্পিকার
প্রকাশ : ২৩ নভেম্বর ২০১৩, ২৩:০৪
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, দেশে চলমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে এখনো সুযোগ আছে। তিনি প্রধান দুই দলকে ছাড় দেয়ার মনোভাব নিয়ে সংলাপে বসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, বড় দুই দলকে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় পৌঁছতে হবে। সকল দলের অংশগ্রহণে দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
গতকাল শনিবার গুলশানের রেডিয়াস সেন্টারে ইউএনডিপি, ইউএসএইড, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল, ইউকেএইড এবং ইউএন উইমেন আয়োজিত ‘ফসটেরিং জেন্ডার ইকুয়ালিটি ইন পলিটিক্স’ বা রাজনীতিতে জেন্ডার সমতা নিশ্চিতকরণ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। তবে, সংসদ বহাল রেখে নির্বাচন হলে সেটা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে কি-না এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য সকল দল লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড পাবে কি-না—এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের দেশের সর্বোচ্চ আইন হলো সংবিধান। সুতরাং সংবিধান অনুযায়ীই নির্বাচন হবে।
বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে অংশগ্রহণ করেন রাশেদা বেগম হীরা এমপি, সুইডিশ রাষ্ট্রদূত এনিলিলিন্ডা কেনি, গণমাধ্যমের শাহানাজ মুন্নী, শবনম ফেরদৌসী, ব্রতীর নির্বাহী পরিচালক শারমিন মুরশিদ, নারী অধিকার কর্মী শিরীন বানু মিতিল এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।
ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, জেন্ডার সমতা নিশ্চিত করতে তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে জাতীয় সংসদেও অধিকসংখ্যক নারীকে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ করে দিতে হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিতসংখ্যক নারী সংসদ সদস্য সংসদে না আসবে, ততদিন পর্যন্ত নারীদের সংরক্ষিত কোটা নারীর ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি ও জেন্ডার সমতাকরণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে এবং নারীর অংশগ্রহণের পথ সুপ্রশস্ত করবে।
সুইডিশ রাষ্ট্রদূত এনিলিলিন্ডা কেনি বলেন, বিশ্বের ৯০ শতাংশ দেশে নারীর জন্য কোটা পদ্ধতি বিদ্যমান। নারীর অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের জন্য রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন জরুরি বলে উল্লেখ করেন তিনি।
সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হীরা বলেন, বিশ্ব ব্যাংক ১০০টি দেশে জরিপ চালিয়ে দেখেছে- নারীরা দুর্নীতির সাথে কম জড়িত। তাই নারীদের বেশি মনোনয়ন দিলে দেশের উন্নয়ন হবে, দুর্নীতি কম হবে। আলোচকবৃন্দ রাজনৈতিক দলসহ দেশ গঠনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে নারীদের অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেয়ার উপর গুরুত্বারোপ করেন।