ত রু ণী ক থা
স্বপ্ন দেখি বাংলাদেশ হবে স্বনির্ভর
প্রকাশ : ২৪ নভেম্বর ২০১৩, ২০:১১
সেই ছোটবেলা থেকেই সংস্কৃতি অঙ্গনের সাথে ভাল বোঝাপড়া পিয়ালের। কবিতা আবৃতি, গান, অভিনয়, নৃত্য বলা চলে সব মাধ্যমেই ছিল সরব পদচারণা। তবে, শেষ বেলা এসে সম্পর্কটা আঁটসাঁট বাঁধে বিতর্কের সাথে। সেই সুবাদে ঘোরা-ফেরা হয় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল। চেনা-জানা হয় স্বদেশি মানুষের চিন্তা, চেতনা, বিশ্বাসসহ নানাবিধ বিষয়। এছাড়াও সেভ দ্য চিলড্রেন এর সাথে কাজ করার সুবাদেও জানা হয় শিশুদের মৌলিক অধিকার, তাদের মেধা, মনন, চিন্তা বিকাশের কার্যক্রম। পিয়ালের মতে, আমাদের দেশের শিশুরা বেশিরভাগ বিষয়ে পিছিয়ে। উন্নত বিশ্বের শিশুদের সাথে এখানকার শিশুদের চিন্তা-কাজের তাই একটা বিরাট ফারাক। তারা যে বয়সে বড় হওয়ার স্বপ্ন বুনতে শুরু করে আমাদের এখানকার শিশুরা সেই বয়সে পুষ্টিহীনতায় ভোগে। জীবিকার তাগিদে নানারকম ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নেমে পড়ে। তার মতে, আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাতেও অনেক বৈষম্য। অর্থনৈতিক প্রাধান্য থাকার কারণে মেধা থাকা সত্ত্বেও অনেক শিশু ভালো প্রতিষ্ঠানে পড়তে পারছে না। ফলে সে পিছিয়ে যাচ্ছে। এর ভবিষ্যত্ প্রভাবটা ভাল নয়। কারণ, বৈষম্যমূলক জাতি কখনো এক হতে পারে না। ফলে উন্নতিও করা সম্ভব নয়। পিয়াল মনে করে, আমাদের গ্রাম, প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে অনেক মেধাবী শিশু আছে যাদের যত্ন আত্তি আর সহযোগিতার মাধ্যমে একটি সুন্দর ভবিষ্যত্ প্রজন্ম তৈরি করা সম্ভব। বর্তমানে চিকিত্সা বিজ্ঞানে অধ্যয়নরত এ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যতে চিকিত্সা সেবার মাধ্যমে মানুষের সেবা করা ছাড়াও শিশু ও সমাজের অবহেলিত মানুষ, বিশেষভাবে নারী উন্নয়নে কাজ করার ইচ্ছে করে। পিয়াল বলেন, ‘স্বপ্ন দেখি বাংলাদেশ হবে একটি স্বনির্ভর, উন্নত, সুখী ও সমৃদ্ধ দেশ।’