দুর্গাপুরে পর্নো ছবি ছড়ানোর দায়ে জেল জরিমানা

রাজশাহী দুর্গাপুরে কম্পিউটারের মাধ্যমে পর্ণো ছবি ছড়ানোর দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৬ ব্যক্তিকে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। দণ্ডিতরা হলেন, উপজেলা মোড়ের জামাল ইলেকট্রনিক্সের মালিক জামাল উদ্দিন (৩২) ও কর্মচারী রাজু (২১), বিজয় ইলকট্রনিক্সের মালিক বিজয় (২৬), সিংগা বাজারের শিমুল সার্ভিসিংয়ের মালিক সাহাবুর রহমান (৩০), আঁঁখি মোবাইল সার্ভিসিংয়ের মালিক আলমগীর হোসেন (২৮) ও স্টুডিও ওয়ার্ল্ড এন্ড কম্পিউটার ভিশনের আনোয়ার হোসেন (২২)। দুর্গাপুর থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, উপজেলা সদরের বিভিন্ন কম্পিউটার সার্ভিসিং ও গান লোডের দোকান মালিক-কর্মচারীরা অর্থের লোভে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের মোবাইল মেমোরিতে গান ডাউনলোডের ছদ্মাবরণে গোপনে অশ্ল¬ীল ও পর্ণো ভিডিও লোড করে সংশ্লিষ্টদের বিপথগামী করছে। শুক্রবার রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আক্তারুন্নাহারের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাদের হাজির করা হয়। অভিযুক্তরা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে অপরাধ স্বীকার করায় বিচারক প্রত্যেককে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারদণ্ড প্রদান করেন। কটিয়াদীতে গৃহবধূর ছবি তুলে প্রতারণা কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা জানান, কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার সদরের হাইস্কুল মার্কেটের একটি দোকানে প্রবাসীর স্ত্রীকে প্রেমের প্রতারণায় ফেলে গোপন ক্যামেরার মাধ্যমে ভিডিও ধারণ করে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে গৃহবধূর কাছ থেকে টাকা আদায় করে। পুনরায় টাকার জন্য চাপ দিলে গৃহবধূ থানায় মামলা করে। পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করে। উপজেলার মুমুরদিয়া ইউনিয়নের অষ্টঘড়িয়ার সিঙ্গাপুর প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে অবৈধ প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে কৃষ্ণ চন্দ্র পাল। প্রেমের এক পর্যায়ে কটিয়াদী হাইস্কুল মার্কেটের বাগদাদ ফটোস্ট্যাটের দোকানের পিছনে কৃষ্ণ চন্দ্র পাল গোপন ক্যামেরার মাধ্যমে নগ্ন ভিডিও ধারণ করে এবং ভিডিও মোবাইল ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে এলাকায় ও তার প্রবাসী স্বামীর নিকট ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয় এবং এর বিনিময়ে গৃহবধূর কাছ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা নেয়। মামলার আসামিরা হলো কৃষ্ণ চন্দ্র পাল (২৩), মনোয়ার হোসেন (৩০) এবং মনির হোসেন (২৪)। পুলিশ শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে মনির হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, আসামিরা গৃহবধূর পর্ণো ছবি ধারণ করে টাকা আদায় করেছে এবং পুনরায় টাকার জন্য চাপ দিয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।