উখিয়ার উয়ালা বনবিটের বনভূমি জবরদখল
উখিয়া (কক্সবাজার) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২৪ নভেম্বর ২০১৩, ২১:০২
কক্সবাজারের দ্বিতীয় বৃহত্তম অভয়ারণ্য এখন লোকালয়ে পরিণত হতে চলছে। স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীর ছত্রচ্ছায়ায় গাছপালা কর্তন, পাহাড় কেটে বসত বাড়ি নির্মাণ, চাষাবাদের জমি তৈরি ও অসংখ্য পানের বরজ স্থাপনপূর্বক বনভূমির জমি বেহাত হয়ে যাওয়ার ফলে উয়ালা বিটের ১৮শত একর বনভূমি বেদখলে চলে গেছে। উয়ালা বনবিটের চারিপার্শ্বে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করায় অস্তিত্ব সংকটে পড়ে বনবিট অফিস যে কোন সময়ে জবরদখল হয়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। রেঞ্জ কর্মকর্তা বলছেন, বরাদ্দ না আসার কারণে বনবিট কার্যালয় নির্মাণ করা সম্ভব হচ্ছে না। বনরেঞ্জ সূত্রে জানা যায়, বৃহত্তর বন সম্পদ উন্নয়ন, সংরক্ষণ করে জীব বৈচিত্র্যের বংশ বিস্তারসহ প্রাকৃতিক পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখার জন্য এ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ৮টি বনবিট স্থাপনপূর্বক কর্মকর্তা-কর্মচারী বিদ্যমান রয়েছে। উক্ত ৮টি বনবিটের মধ্যে ১৮শত একর বনভূমি নিয়ে উয়ালা বনবিটের অবস্থান। উখিয়া সদর বনরেঞ্জ অফিস থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার উত্তরে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়ক সংলগ্ন রাজাপালং জামতলী এলাকায় এক কালের অভয়ারণ্যের মধ্যস্থলে এ বনবিটটি স্থাপন করা হলেও বর্তমানে তা অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। স্থানীয় ঠিকাদার ফরিদুল আলম অভিযোগ করে জানান, উয়ালা বনবিট সংলগ্ন এলাকায় তত্কালীন সময়ে কোন প্রকার জনবসতি ছিল না। এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে বনবিট কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান ১৮শত একর বনভূমি বেদখল হয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, সম্প্রতি বিট অফিসের জায়গা দখলকারী ফরিদুল আলমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তার নির্মিত বসত বাড়ি একাধিকবার উচ্ছেদ করে দেয়া হয়েছে।