সরকারি স্কুলে ভর্তির নীতিমালা জারি

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভর্তির জন্য নীতিমালা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নীতিমালা অনুযায়ী, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে পারবে। শিক্ষাবর্ষ হবে ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে ভর্তির আবেদন ফরম পাওয়া যাবে। ফরমের মূল্য ১শ’ টাকা এবং সেশন চার্জসহ ভর্তি ফি সাকুল্যে ৭শ’ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে প্রধান করে ঢাকা মহানগরী, জেলা প্রশাসককে প্রধান করে জেলা কমিটি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রধান করে উপজেলা পর্যায়ের স্কুল-গুলোর জন্য তিনটি পৃথক ভর্তি কমিটি গঠন করা হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য ১ জানুয়ারি ২০১৪ এ শিক্ষার্থীর বয়স ৫ থেকে ৭ বছরের মধ্যে হতে হবে। প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য লটারি হবে। ভর্তি কমিটির উপস্থিতিতে এ লটারি অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া দ্বিতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণির শূন্য আসনে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাক্রম অনুসারে ভর্তি করতে হবে। নবম শ্রেণির ক্ষেত্রে জেএসসি/জেডিসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বোর্ডের প্রস্তুতকৃত মেধাক্রম অনুসারে নিজ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির পর শূন্য আসনে অন্যান্য বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও ভর্তি হতে পারবে । দ্বিতীয় থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষার পূর্ণমান হবে ৫০। এর মধ্যে বাংলা-১৫, ইংরেজি-১৫ ও গণিতে ২০। পরীক্ষার সময় এক ঘণ্টা। চতুর্থ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পূর্ণমান ১০০। এর মধ্যে বাংলা-৩০, ইংরেজি-৩০ ও গণিতে ৪০। পরীক্ষার সময় হবে ২ ঘণ্টা। নীতিমালায় বলা হয়, ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে ৬ষ্ঠ শ্রেণির মোট আসনের ১০ শতাংশ কোটা সরকারি বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর জন্য সংরক্ষিত থাকবে। মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যা অথবা তাদের ছেলে-মেয়েদের জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। এছাড়া প্রতিবন্ধীদের জন্য থাকবে ২ শতাংশ কোটা। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারিদের সন্তান এবং সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক/ শিক্ষিকা/ কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য থাকবে ২ শতাংশ আসন। কোন প্রতিষ্ঠানে আবেদনকারী শিক্ষার্থীর সহোদর/ সহোদরা বা যমজ ভাই/ বোন পূর্ব থেকে অধ্যয়নরত থাকলে আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে ভর্তির ক্ষেত্রে তাকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। উল্লেখ্য, দেশে বর্তমানে ৩১৭টি মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুল রয়েছে। এর মধ্যে রাজধানীতে সরকারি মাধ্যমিক স্কুলের সংখ্যা ২৪টি।