ছাতক সিমেন্ট কারখানার উত্পাদন সপ্তাহ ধরে বন্ধ

ছাতক সিমেন্ট কারখানায় উত্পাদন বন্ধ রয়েছে এক সপ্তাহ ধরে। কারখানা দুটি বন্ধ থাকার ফলে কারখানায় উত্পাদন বন্ধ রয়েছে। পিভি কনভেয়ার ও এ্যাপরণ কনভেয়ার সচল না থাকায় দুটি কিলন বন্ধ হয়ে পড়েছে। যার ফলে গত এক সপ্তাহে উত্পাদন খাতে কারখানার দেড় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। দক্ষ জনবল থাকা সত্ত্বেও কারখানার অধিকাংশ কাজ বেশি মূল্যে টেন্ডার দিয়ে করানোর ফলে এক শ্রেণির কর্মকর্তাদের পকেট ভারি হচ্ছে। টেন্ডারের মাধ্যমে নিম্নমানের মালামাল দিয়ে পিভি ও এ্যাপরণ কনভেয়ার মেরামত করার ফলে এ দুটি কনভেয়ার সচল হচ্ছে না। এদিকে কারখানার এ অচলাবস্থার মধ্যেও ১শ’জন শ্রমিক ও ৩৫জন কর্মচারীকে নিয়োগ বিধি লংঘন করে চাকরি দেয়ার পাঁয়তারা চলছে। মঙ্গলবার বিসিআইসি’র বোর্ড মিটিংয়ে ১শ’ ৩৫জন শ্রমিক-কর্মচারী স্থায়ী নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত হতে পারে বলে জানান কারখানার এমডি শফিকুল ইসলাম। স্ক্র্যাপ মালের টেন্ডার হলে ঠিকাদার মালামাল নিতে পুলিশের সহযোগিতা চেয়েছেন। সোমবার স্ক্র্যাপ মাল ডেলিভারী নেয়নি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। এতে রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে। স্ক্র্যাপ মালামালের দায়িত্বে কারখানার এমটিএস বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ আব্দুস শুকুর জানান, ঠিকাদারের লোকজন মালামাল যাচাই-বাছাই করছে। ওজনের পর তারা মালামাল বুঝে নেবে। কত টন মালের টেন্ডার হয়েছে তিনি বলতে পারেননি।