কিশোরগঞ্জ সদরে বিদ্রোহী নিয়ে বিব্রত বড় দুই দল
প্রকাশ : ০২ মার্চ ২০১৪, ২১:৫৫
জমে উঠেছে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাচন। আগামী ১৫ মার্চ এই উপজেলার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রতীক বরাদ্দের পর প্রার্থীরা আর ঘরে বসে নেই। চলছে বিরামহীন প্রচারণা, লিফলেট বিতরণ। আর প্রার্থীদের গণসংযোগ তো রয়েছেই। পোস্টারে পোস্টারে ছেয়ে গেছে জেলা শহর ও আশ-পাশের হাট-বাজার। চলছে মিছিল-সমাবেশ। নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে কোন কোন প্রার্থীর বিরুদ্ধে। এই উপজেলায় বড় দুই দলেরই একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে। এই নিয়ে দুই দলই খুব বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে রয়েছে। কোন দলই বাগে আনতে পারছে না বিদ্রোহী প্রার্থীদের। এমতাবস্থায় দলীয় মূল প্রার্থীদের ভরাডুবির আশংকা করছেন অনেকে।
কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৯ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন-আওয়ামী লীগ সমর্থিত সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম টিটু (কাপ-পিরিচ), বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক আনোয়ার কামাল (দোয়াত-কলম), জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক মো. মফিজউদ্দিন (মোটরসাইকেল), বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী হলেন জেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. শরীফুল ইসলাম (আনারস), বিদ্রোহী প্রার্থী কেন্দ্রীয় বিএনপি’র তথ্যসেলের সদস্য সচিব সালাউদ্দিন আহমেদ সেলু (হেলিকপ্টার), বর্তমান চেয়ারম্যান স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. মো. আব্দুল হাই (ঘোড়া), জাপা সমর্থিত ইসমাইল হোসেন বাবুল (ব্যাটারি), বাসদ সমর্থিত মাসুদ মিয়া (টেলিফোন) এবং বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শেখ সেলিম কবীর (চিংড়ি মাছ)।
ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীরা হলেন-আওয়ামী লীগ সমর্থিত মামুন আল মাসুদ খান (টিউবওয়েল), দলের বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক ছাত্রলীগ নেতা পল্লব কর (টিয়া পাখি), বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী হলেন-মো. নাজমুল আলম (বৈদ্যুতিক বাল্ব), বিদ্রোহী প্রার্থী আবু নাসের সুমন (উড়োজাহাজ), স্বতন্ত্র আব্দুস সাত্তার (তালা) ও বুরহানউদ্দিন জামি (চশমা)। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীর মধ্যে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। প্রার্থীদ্বয় হলেন-আওয়ামী লীগের বিলকিছ বেগম (হাঁস) ও বিএনপি’র বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান কামরন নাহার লুনা (প্রজাপতি)।