ক্লার্কের দেড়শোর পর বৃষ্টি বাঁধা

প্রথম দিন পরিক্ষাটা ছিল শারীরিক। দ্বিতীয় দিন সেটা দাড়ালো মানসিক পরিক্ষায়। আর দুটি পরিক্ষাতেই সাফল্যের সাথে উের গিয়ে ক্যারিয়ারের সবচেয়ে দীর্ঘ রান খরার অবসান ঘটালেন মাইকেল ক্লার্ক। আর ক্লার্কের অপরাজিত ১৬১ রানের সুবাদে কেপটাউনে সিরিজ নির্ধারনী টেস্টের বৃষ্টিবিঘ্নিত দ্বিতীয় দিন শেষে অস্ট্রেলিয়া তাদের প্রথম ইনিংসে পৌছে গেছে ৪৯৪ রানের পাহাড়ে। হাতে আছে শেষ শেষ তিনটি উইকেট। প্রথম দিন ক্রিজে আসার পরপরই পেস আর বাউন্সে ক্লার্কের নাভি:শ্বাস তুলে ফেলেছিলেন মরনে মরকেল। তবে রান খরার অবসান ঘটাতে মরিয়া ক্লার্কের দুর্ভেদ্য রক্ষনের সামনে হার মানতে হয় তাকে। আর গতকাল পরিক্ষাটা ছিল মানসিক। ৯৯ রানে ২৪ বল আটকে থেকে অবশেষে সেই পরিক্ষাতেও শতভাগ নম্বর নিয়েই পাস করলেন ক্লার্ক। দ্বিতীয় সেশনের শেষ দিকে জেপি ডুমিনির আঘাতে হঠাত্ করে একটু এলোমেলো হয়ে যাওয়া অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসটিকে বিশাল রূপ দেয়ার পেছনে ক্লার্কের পাশাপাশি অবদান আছে স্টিফেন স্মিথেরও। ক্লার্ক যেখানে ছিলেন ধৈর্য্যের প্রতিমূর্তী সেখানে স্মিথ ছিলেন অনেকটাই আক্রমনাত্মক। আগের দিন পঞ্চাস রানে অপরাজিত থাকা স্মিথ কাল নিজের নামের পাশে আরো যোগ করেছেন ৩৪ রান। ডিন এলগার ৮৪ রানে তাকে ফিরিয়ে পতন ঘটান চতুর্থ উইকেটের। এরপর দ্বিতীয় সেশনের একেবারে শেষ দিকে বল হাতে ডুমিনির ঐ আঘাত। উইকেটের সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে তিন ওভারের ব্যবধানে অস্ট্রেলিয়ার তিনটি উইকেট তুলে নিয়ে স্বাগতিকদের কিছুটা হলেও ম্যাচে ফেরান এই স্পিনার। এর মধ্যে শেষ দুটি উইকেট আসে ওভারের শেষ দুটি বলে। এরপর হঠাত্ করেই বৃষ্টির বাধা আসলে দিনের খেলা শেষ হয়ে যায় নির্ধারিত সময়ের আগেই। অর্থাত্, আজ হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা নিয়েই মাঠে নামবেন তিনি। ৭৩ রানে চারটি উইকেট নিয়ে ডুমিনিই ছিলেন স্বাগতিকদের পক্ষে সফলতম বোলার। ক্যারিয়ারে দশমবারের মতো দেড়শো কিংবা তার বেশী রানের ইনিংস খেলা ক্লার্কের সঙ্গে ৪ রান নিয়ে খেলছেন পেসার রায়ান হ্যারিস।