থাইল্যাণ্ডে সহিংসতা ছাড়াই দ্বিতীয় দফায় ভোট গ্রহণ

থাইল্যান্ডে কোনো ধরনের সহিংসতা ছাড়াই পাঁচটি প্রদেশে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। বিরোধীদের বাধার মুখে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ ব্যাপকভাবে বিঘ্নিত হওয়ার পর গতকাল রবিবার এ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। খবর এএফপির ও রয়টার্সের। দেশটির নির্বাচন কমিশন বলছে, সব আসনে নির্বাচন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ফলাফল প্রকাশ করা হবে না। নির্বাচন সম্পন্ন হতে এপ্রিল মাস পর্যন্ত সময় লাগবে বলে মনে করা হচ্ছে। গতকাল পাঁচ প্রদেশে ১০১ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা এক লাখ বিশ হাজার। নির্বাচন কমিশনার সোমচাই শ্রিসুথিথয়াকর্ন এ কথা জানান। তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন হয়েছে। সবকিছুই নিয়ন্ত্রণে ছিল। কোথাও কোন সমস্যা নেই। তবে তিনি উল্লেখ করেন, রেওং প্রদেশের একটি ভোট কেন্দ্রে কিছু বিক্ষোভকারী সমস্যা তৈরির চেষ্টা করে। এদিকে পুরো ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রা সীমিত ক্ষমতা নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দায়িত্ব পালন করে যাবেন। থাই নির্বাচনী আইন অনুযায়ী নতুন সরকার গঠনের জন্য পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের ৫শ’ আসনের ৯৫ শতাংশ পূরণ হতে হবে। উল্লেখ্য, থাইল্যান্ডে সরকার পতনের কয়েক মাসের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রা আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দেন। কিন্তু বিরোধীরা তা প্রত্যাখ্যান করেন। বিরোধীদের বয়কটের মুখেই গত ২ ফেব্রুয়ারি প্রথম দফার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বিরোধী দল নির্বাচন প্রতিহত করার চেষ্টা করে। এদিকে দ্বিতীয় দফার এ নির্বাচনের দিনও বিরোধীপক্ষ রাজধানীর বিভিন্ন অংশে তাদের বিক্ষোভ সমাবেশ অব্যাহত রেখেছে। উল্লেখ্য ইংলাক সিনাওয়াত্রার ভাই থাকসিন সিনাওয়াত্রা ২০০৬ সালে এক সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে দেশটি রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত হয়ে পড়ে।