ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
মানুষের পাশে থাকতে চাই
প্রকাশ : ০৪ মার্চ ২০১৪, ১৯:২৯
বড় হয়ে কী হতে চাও? ছোটবেলায় এমন প্রশ্নের জবাবে প্রায় সবারই উত্তর হয়, ডাক্তার নয়তো ইঞ্জিনিয়ার হওয়া। কিন্তু আমার লক্ষ্য ছিল একটাই ভালো সংবাদকর্মী হওয়া। নিজের সম্পর্কে বলতে গিয়ে এভাবেই বললেন তরুণ সংবাদকর্মী এবং বিতার্কিক জিয়া। জিয়াউর রহমান চৌধুরী পড়ছেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগে। বাবা মোঃ মাহবুবুর রহমান চৌধুরী এবং মা মোসাঃ রহিমা খাতুন। লক্ষ্মীপুর আদর্শ সামাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেছেন। কথা প্রসঙ্গে জিয়া জানালেন- ছোটবেলা থেকেই সাংবাদিক হওয়ার ইচ্ছে ছিল। দশম শ্রেণিতে পড়াকালীনই বিভিন্ন দৈনিকের ফিচার বিভাগে লেখালেখি শুরু করি। ছাপাও হতে লাগলো সেগুলো আর এভাবেই ইচ্ছেটাকে বাস্তবে রূপান্তরিত করা শুরু করলাম আমি।
শুধুমাত্র আগ্রহ থেকে লেখালেখি শুরু করলেও থেমে থাকেননি তিনি। নিজ যোগ্যতা ও প্রতিভার গুণে কাজ করেছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় দৈনিক পত্রিকায়, দায়িত্ব পালন করেছেন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জনসংযোগ কর্মকর্তা হিসেবে। বিতার্কিক হিসেবে চষে বেড়িয়েছেন দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত। শুধুমাত্র একজন দক্ষ বিতার্কিক এবং গণমাধ্যম কর্মী হিসেবেই নয় সুনাম কুড়িয়েছেন একজন ভালো ছাত্র হিসেবেও। নিজের ভবিষ্যত্ কর্মপন্থা সম্পর্কে জিয়া জানালেন, সাংবাদিকতা করার জন্যই এ পেশায় এসেছি। ডাল-রুটি খেয়ে হলেও জীবনের শেষ দিনটি পর্যন্ত সাংবাদিকতা করে যাব। গণমানুষের মধ্য থেকে তাদের কথা নিয়ে দেশ থেকে দেশান্তরে ছড়িয়ে দেয়াই এই সংবাদকর্মীর লক্ষ্য। সেরা হয়ে নয়, সত্ হয়ে দেশের উন্নয়নে পাশে থেকে দেশকে এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাব।
জিয়াউর রহমান বলেন, যেখানে থাকি যেভাবেই থাকি যে পেশায়ই থাকি মানুষের পাশে থেকে কাজ করতে চাই সবসময়।