জিপিএ ও বিভাগ পদ্ধতির সামঞ্জস্য বিধান প্রসঙ্গে
প্রকাশ : ০৫ মার্চ ২০১৪, ২১:২৪
৩-৩-১০ তারিখ এক সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় কোনো পরীক্ষার্থী জিপিএ-২ অর্থাত্ শতকরা ৪০ নম্বর পেলে সে দ্বিতীয় বিভাগ পেয়েছে বলে গণ্য হবে। তদনুযায়ী পরবর্তীকালে বিভিন্ন ভর্তি বা চাকরি বিজ্ঞপ্তিতে ক্ষেত্রবিশেষে দ্বিতীয় বিভাগ/জিপিএ-২ আবশ্যক মর্মে বিজ্ঞপ্তি দেয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে এটা একটি অত্যন্ত যৌক্তিক তথা যুগান্তকারী পদক্ষেপ। তবে এজন্য শিক্ষার্থীদের তীব্র আন্দোলন তথা সংগ্রাম করতে হয়েছে। লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে কোনো পরীক্ষার্থী যখন উল্লেখিত পরীক্ষা বা অন্য কোনো পরীক্ষায় শতকরা ৪০ নম্বর পায়, তখন সে মোট নম্বরের প্রায় অর্ধেক নম্বরের কাছাকাছি চলে আসে। সুতরাং এরূপ ক্ষেত্রে তাকে যুক্তিসঙ্গতভাবেই দ্বিতীয় বিভাগ দেয়া যেতে পারে। তবে বর্ণিত সুযোগ-সুবিধা শুধু সরকারি প্রজ্ঞাপন পরবর্তী শিক্ষার্থীরাই পাচ্ছে, পূর্ববর্তীগণ নয়। যদিও যুক্তি তথা ভাবগত দিক থেকে আমরা বুঝি যে পূর্ববর্তীগণও অনুরূপ সুযোগ-সুবিধা লাভের যোগ্য। তা না হলে তাদের প্রতি অবিচার করা হবে এবং তারা বঞ্চিত হবেন। এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য যে, জিপিএ পদ্ধতির শ্রেণিকরণে কিছু অসঙ্গতি এখনও বিদ্যমান। যেমন কোনো শিক্ষার্থীর শতকরা ৪০ নম্বর পেলে জিপিএ-২ ধরা হলেও ৮০% নম্বর প্রাপ্তিতে কিন্তু জিপিএ-৫ ধরা হচ্ছে, যা হওয়া উচিত জিপিএ-৪। এর ফলে অনেক সময় জিপিএ-৫ প্রাপ্তরা জিপিএ-২ প্রাপ্তদের অবজ্ঞার চোখে দেখে থাকে, যদিও জিপিএ-২ প্রাপ্তরা তাদের অন্তত অর্ধেক নম্বর পেয়েছে। সুতরাং এই পদ্ধতিরও আংশিক পুনর্বিন্যাস কাম্য। বিষয়টি প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
লুত্ফুল কবীর, ঝিকাতলা, ঢাকা