কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি হ্রাস সম্ভব

কোলন ক্যান্সার এক বিপজ্জনক রোগ। অথচ বিশেষজ্ঞগণ বলছেন নিয়মিত চিকিত্সকের পরামর্শ নেয়া হলে কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি যেমন হ্রাস করা যায়; তেমনি কোলন ক্যান্সারে মৃত্যু ঝুঁকিও কমে। বয়স্ক মার্কিনীদের ওপর গবেষণা করে এ রিপোর্ট দিয়েছেন বিশেষজ্ঞগণ। গবেষণার প্রধান অথার নিউ জার্সির রবার্ট উড জনসন মেডিক্যাল স্কুলের বিশেষজ্ঞ ড. জিন ফেরান্তে মনে করেন, যাদের বয়স ৫০ পার হয়েছে তারা যদি তাদের জিপির পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় হেলথ চেকাপ করেন তাহলে কোলন ক্যান্সারসহ অনেক ক্যান্সার যেমন প্রাথমিক পর্যায়ে রোধ করা যায়; তেমনি ক্যান্সারে মৃত্যুর ঝুঁকিও হ্রাস পায়। যুক্তরাষ্ট্রের ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) তথ্য মতে, যুক্তরাষ্ট্রে ক্যান্সারে মৃত্যুর ক্ষেত্রে কোলন ক্যান্সার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তালিকায় রয়েছে। ইন্টারন্যাল মেডিসিন জার্নালে উল্লেখ করা হয়, প্রাইমারি কেয়ার ডক্টর বা জিপি সাধারণত কোলন ও রেক্টাল ক্যান্সারের ব্যাপারে যথাযথ পরীক্ষা-নীরিক্ষা করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এটা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রে ২২ মিলিয়ান বয়স্ক মানুষ এ ধরনের পরীক্ষার বাইরে থেকে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা বছরে ৫ থেকে ১০ বার চিকিত্সকের পরামর্শ নেন তাদের ক্যান্সারে মৃত্যু ঝুঁকি শতকরা ২১ ভাগ কম। বিশেষজ্ঞগণ বলছেন, ৫০ থেকে ৭৫ বছর বয়সের লোকদের প্রতি ৫ থেকে ১০ বছরে অন্তত একবার কোলনস্কপি করা দরকার। এছাড়া অন্যান্য পরীক্ষাও করতে হবে। এছাড়া প্রতি ৫ বছরে একবার সিগময়েডস্কপি এবং প্রতি তিন বছরে একবার ফেকাল অকাল্ট ব্লাড টেস্ট করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। ড. জিন ফেরান্তে আরও বলেছেন, কোলন ক্যান্সারসহ সব ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাসে আমাদের অবশ্যই নিয়মিত প্রাইমারী চিকিত্সক বা জিপির কাছে যেতে ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। লেখক : চুলপড়া, এলার্জি, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ