অস্টম ওয়েজবোর্ড সংশোধন করে বাস্তবায়নের দাবি

অষ্টম ওয়েজ বোর্ড সংশোধনপূর্বক ১২ মার্চের মধ্যে বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ। পাঁচ দফা দাবির মধ্যে আছে, সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার শ্রেণী বিন্যাসকরণের ক্ষেত্রে ক্যাটাগরির আদল/অবকাঠামো, প্রচার সংখ্যা ও বার্ষিক মোট গ্রস আয় পরিবর্তন করে ৮ম মজুরি বোর্ডে প্রচার সংখ্যা ২৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার ও বার্ষিক ইনকাম ৪ কোটি থেকে ২৫ কোটি টাকা বৃদ্ধি করে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে, যা কোন সংবাদপত্র বা সংবাদ সংস্থায় এ ধরনের ইনকাম বৃদ্ধি পায়নি। আমাদের দাবি, ৭ম মজুরি বোর্ডের ন্যায় ৩টি (ক, খ, গ) ক্যাটাগরির ক্ষেত্রে যেভাবে ব্যাখ্যা রয়েছে তা অপরিবর্তিত থাকবে। বেতন বৃদ্ধির সাথে সামঞ্জস্য রেখে ভাতাদি ও প্রান্তিক সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধি হওয়া প্রয়োজন। ফ্রিঞ্জ বেনিফিট থেকে কেমিক্যাল পয়জনিং অ্যালাউন্স বাদ দেয়া হয়েছে। তা সংশোধন করা প্রয়োজন। ৭ম মজুরি বোর্ডের সুপারিশ মত ৮ম মজুরি বোর্ড রোয়েদাদ বাস্তবায়ন ও তদারকি করার জন্য ওয়েজ বোর্ডে কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল থাকবে। জেলায় জেলায় মনিটরিং সেল থাকবে না। যে সকল সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থায় ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়িত হবে না, সেক্ষেত্রে ঐ সকল প্রতিষ্ঠানে সরকারি বিজ্ঞাপন রেট, ক্রোড়পত্র, অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড পাবে না—এ ধরনের বিধান ওয়েজ বোর্ডে সংযোজন করতে হবে। ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নের তারিখ নির্ধারিত হবে মহার্ঘ ভাতা ঘোষণার দিন থেকে। সাংবাদিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদ নেতৃবৃন্দ গতকাল জরুরি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ১২ মার্চের মধ্যে ৮ম ওয়েজ বোর্ডে ৫টি অসঙ্গতি সংশোধন করা না হলে ঐক্যপরিষদ বৃহত্তর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়। সভায় ছাঁটাই প্রক্রিয়াসহ স্থায়ী চাকরিজীবীদের অস্থায়ীকরণ বন্ধের দাবি জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ঐক্য পরিষদের কো-কনভেনর রুহুল আমিন গাজী। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঐক্য পরিষদের কো-কনভেনর মনজুরুল আহসান বুলবুল ও আলমগীর হোসেন। সদস্য সচিব মতিউর রহমান তালুকদার, শওকত মাহমুদ ও আবদুল জলিল ভুঁইয়া। সদস্য আলতাফ মাহমুদ, আবদুল হাই শিকদার, খায়রুল ইসলাম, মো. কামাল উদ্দিন, জাহাঙ্গীর আলম প্রধান ও কদ্দুস আফ্রাদ।—প্রেস বিজ্ঞপ্তি