নির্বাচনের ফলাফল বিচারের দায়িত্ব বাংলাদেশের জনগণের :ব্রিটিশ মন্ত্রী
প্রকাশ : ০৫ মার্চ ২০১৪, ২৩:০৬
ব্রিটিশ ফরেন এন্ড কমনওয়েলথ বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি মার্ক সিমন্ডস এমপি বলেছেন, বাংলাদেশে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল বিচারের মালিক পুরোপুরি বাংলাদেশের জনগণ। ব্রিটিশ সরকার নির্বাচন প্রক্রিয়ার উন্নয়নে প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। মঙ্গলবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউজ অব কমন্সের পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক নিয়মিত প্রশ্নোত্তর পর্বে লেবার দলীয় এমপি সায়মন ড্যানজাকের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এমন অভিমত ব্যক্ত করেন।
ঐদিন হাউজ অব কমন্সের নিয়মিত অধিবেশনের শুরুতে নির্ধারিত ছিল বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতে দেশটির পররাষ্ট্র নীতির ওপর প্রশ্নোত্তর পর্ব। এ সময় ব্রিটিশ ফরেন সেক্রেটারি ইউলিয়াম হেগ, পররাষ্ট্র বিষয়ক আরো দুই মন্ত্রী- ডেভিড লিডিংটন এমপি এবং হুগো সোইয়ার এমপি উপস্থিত ছিলেন।
এমপি সায়মন ড্যানজাক বাংলাদেশ বিষয়ক বিতর্কের সূচনা করে প্রশ্ন তোলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র একটি সন্ধিক্ষণের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ব্রিটিশ সরকার কেন ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ অন্য দেশগুলোর মত বাংলাদেশে নতুন একটি অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য চাপ দিচ্ছে না?
জবাবে মন্ত্রী মার্ক সিমন্ডস বলেন, তার (সায়মন ড্যানজাক) স্বীকার করা উচিত যে, অনুষ্ঠিত নির্বাচন বাংলাদেশের সংবিধান মোতাবেকই হয়েছে। আমি জানি ঐ নির্বাচনে অর্ধেকেরও বেশি আসনে মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পায়নি। কিন্তু নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল বিচারের দায়িত্ব বাংলাদেশের জনগণের। তিনি বলেন, ব্রিটিশ সরকার নির্বাচন প্রক্রিয়ায় জড়িত কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। এরপর মন্ত্রীর জবাবে দ্বিমত পোষণ করে লেবার দলীয় আরেক এমপি নিক ডেকিন বলেন, বাংলাদেশে রাজনৈতিক সহিংসতা এবং মৃত্যুর ঘটনা গভীর উদ্বেগজনক। সরকার শৃৃঙ্খলা বিধান এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় পক্ষগুলোকে কী ধরনের সহায়তা দিচ্ছে?
এমপির উদ্বেগের সাথে একমত জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে সহিংসতার ঘটনা দুঃখজনক। আমরা সম্পূর্ণভাবে এর নিন্দা জানাই। তবে ব্রিটিশ সহায়তা অব্যাহত রাখার মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরো ভাল নির্বাচন অনুষ্ঠানের ভিতকে শক্তিশালী করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।