ঢাকা চট্টগ্রাম না’গঞ্জে পরিবেশ দূষণবিরোধী অভিযান

দূষণবিরোধী অভিযান চালিয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর ৯টি কারখানাকে ২ কোটি ৪৮ লাখ টাকা জরিমানা করেছে। একটি কারখানাকে সিলগালা করা হয়েছে। মঙ্গলবার পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আলমগীর এই ব্যবস্থা নেন। চট্টগ্রাম জেলার ৮টি, ঢাকা জেলার ১টি ও নারায়ণগঞ্জ জেলার ১টি কারখানার মালিক, প্রতিনিধিকে পরিবেশ অধিদপ্তরে ঢাকায় তলব করে শুনানি গ্রহণ করে পরিবেশ ও প্রতিবেশগত ক্ষতিসাধনের জন্য এই জরিমানা করা হয়। কর্ণফুলী নদী এবং ইটিপি বন্ধ রেখে অপরিশোধিত তরল বর্জ্য সরাসরি নির্গমনের অপরাধে চট্টগ্রামস্থ সিএন্ডএ টেক্সটাইল মিলস লিঃকে ৬ লাখ, একই অপরাধে দেশ ডেনিমস এন্ড এমপি স্পিনিং মিলস লিঃ, শেখপাড়া, বোয়ালখালীকে ১৪ লাখ, পরিবেশগত ছাড়পত্র গ্রহণ ব্যতীত এবং কারখানার সৃষ্ট তরল বর্জ্য পরিশোধন ছাড়াই খালের মাধ্যমে পার্শ্ববর্তী কর্ণফুলী নদীতে নির্গত করে পরিবেশ ও প্রতিবেশগত ক্ষতিসাধন করার অপরাধে হাক্কানী পেপার এন্ড বোর্ড মিলস লিঃ -কে ৪৫ লাখ, এমইবি পেপার এন্ড বোর্ড মিলস লিঃকে ২০ লাখ, কেমিক্যালস এন্ড পেপার মিলস লিঃকে ৩৯ লাখ এবং ত্রুটিপূর্ণ ইটিপির মাধ্যমে অপরিশোধিত তরল বর্জ্য খালের মাধ্যমে পার্শ্ববর্তী নদীতে নির্গত করে পরিবেশ ও প্রতিবেশের ক্ষতিসাধনের অপরাধে সানজি টেক্সটাইল মিলস লিঃকে ২৪ লাখ. একই অপরাধে আম্বিয়া নিটিং এন্ড ডাইং লিঃকে ২৪ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। তাছাড়া, পরিবেশগত ছাড়পত্র নবায়ন ব্যতীত কারখানা পরিচালনা এবং কারখানার ফিউম এক্সট্রাক্শন, ডাস্ট কালেক্টর অকার্যকর রেখে বায়ুদূষণের মাধ্যমে পরিবেশ ও প্রতিবেশের ক্ষতিসাধন করার অপরাধে এহ্সান স্টিল এন্ড রি-রোলিং মিল্স লিঃকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। কারখানার ইটিপি বন্ধ রেখে তরল বর্জ্য পরিশোধন ছাড়াই সিংগাইরে ধলেশ্বরী নদীতে নির্গত করে পরিবেশ ও প্রতিবেশের ক্ষতিসাধন এবং পরিবেশগত ছাড়পত্রের শর্ত ভঙ্গ করে কারখানা সম্প্রসারণ করার অপরাধে পলো কম্পোজিট নিট ইন্ডাস্ট্রিজকে ৬৬ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া পরিবেশগত ছাড়পত্র গ্রহণ গ্রহণ ব্যতীত এবং ইটিপি ছাড়া দীর্ঘদিন যাবত্ কারখানা পরিচালনা করার অপরাধে রহমান কেমিক্যাল কারখানা বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়।