হ্যান্ডকাফ পরিয়ে নির্যাতন চলত

ব্যবসায়ী মৃদুল চৌধুরী অপহরণের ঘটনায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা অনুসন্ধানে গঠিত কমিটির সামনে হাজির হয়ে তার ওপর নির্যাতনের বিবরণ দেন চট্টগ্রামের এই স্বর্ণ ব্যবসায়ী। গতকাল বুধবার দুপুর ১২টার দিকে মৃদুল চৌধুরী তদন্ত কমিটির প্রধান সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) বনজ কুমার মজুমদারের কক্ষে প্রবেশ করেন। লিখিত ও মৌখিকভাবে নির্যাতনের বিবরণ দেয়া শেষে বেলা সোয়া ২টায় তিনি বের হন। সিএমপি সূত্র জানায়, নির্যাতনের মৌখিক বিবরণ দেয়ার সময় মৃদুল চৌধুরীকে কান্না করতে দেখা যায়। তিনি কমিটির সদস্যদের বলেন, ‘অপহরণকারীরা বলেছে, আমরা র্যাবও নই, ডিবি পুলিশও নই। আমরা সন্ত্রাসী। তবে নির্যাতনের সময় বারবার তার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে তিনি কেন র্যাবের বিরুদ্ধে স্বর্ণ লুটের মামলা করেছেন। হাতে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে নির্যাতন করা হতো বলে মৃদুল চৌধুরী জানান। উল্লেখ্য, নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন পুরাতন টেলিগ্রাফ রোডের বাসার সামনে থেকে গত ১১ ফেব্রুয়ারি অপহূত হন মৃদুল চৌধুরী। এক সপ্তাহ পর কুমিল্লার বুড়িচং থানাধীন কংসনগর বাজার থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। মৃদুল চৌধুরী অপহরণের ঘটনায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখতে গত ১ মার্চ তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয় পুলিশ সদর দপ্তর।