জিএসপি ফিরে পেতে শ্রম আইন বাস্তবায়নসহ কিছু চ্যালেঞ্জ বাকি

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা (জিএসপি) ফিরে পাওয়ার জন্য আরো কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনা। গতকাল বুধবার সচিবালয়ে তৈরি পোশাক খাতের উন্নয়নবিষয়ক ‘থ্রি প্লাস ফাইভের’ এক সভাশেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। বৈঠকে বাণিজ্য সচিব মাহবুব আহমেদ, পররাষ্ট্র ্রসচিব শহীদুল হক, শ্রম সচিব মিকাইল শিপার, মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনা ছাড়াও ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম হানা, নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জার্বেন ডি জন, কানাডার রাষ্ট্রদূত হিদার ক্রুডেন ও স্পেনের রাষ্ট্রদূত স্লুইস তেজাডা উপস্থিত ছিলেন। মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের জিএসপি ফিরে পেতে আরো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এর অন্যতম ইপিজেডগুলোতে শ্রম আইন বাস্তবায়ন করা। তিনি বলেন, গত বছর জিএসপি বাতিল হওয়ার পর ১৬টি শর্ত দিয়ে একটি কর্মপরিকল্পনা দেয়া হয়েছিল। সেগুলোর অগ্রগতি হয়েছে, তবে কিছু চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে। বৈঠকে পোশাক খাতের কারখানাগুলোকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা, কারখানা ভবন, অগ্নিনিরাপত্তা, শ্রম অধিকার এসব বিষয় নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে বলে মার্কিন রাষ্ট্রদূত জানান। বৈঠকের আগে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত্ করেন কূটনীতিকরা। পরে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অ্যাক্শন প্ল্যানের’ অনেক অগ্রগতি হয়েছে। ৩১ মার্চের মধ্যে পরিদর্শক নিয়োগ ও পোশাক কারখানার তথ্যভাণ্ডার তৈরির কাজ শেষ হবে। ১৫ এপ্রিলের মধ্যে আমরা যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবেদন পাঠাব। উল্লেখ্য, আগামী মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা (জিএসপি) পুনর্বহালের বিষয়ে শুনানি হবে।