কবিরহাট থানায় হামলা ভাংচুর তিন পুলিশসহ আহত ১০

নোয়াখালীর কবিরহাট থানায় হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করেছে স্থানীয় ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগ সমর্থক নেতাকর্মীরা। বুধবার রাত ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। হামলাকারীরা থানার প্রধান ফটক ও কর্মকর্তাদের ৯টি কক্ষের দরজা ও কাঁচের জানালার ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। এক পর্যায়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে ৪০ রাউন্ড শটগানের গুলি ছোঁড়ে। এ সময় ইট পাটকেল নিক্ষেপে ৩ পুলিশ সদস্যসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হন। পরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশরাফুজ্জামানের নেতৃত্বে জেলা শহরের পুলিশ লাইন থেকে দাঙ্গা পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। আহতদের মধ্যে উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সাদাত হোসেন, পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওয়াহেদসহ ৭ জনকে রাতে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে সাদাতকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ওসি মাহবুবুল আলম জানান, রাত পৌনে বারটার দিকে কবিরহাট পৌরসভার মেয়র জহিরুলহক রায়হান মদ্যপ অবস্থায় হঠাত্ থানায় এসে তাকে গ্রেফতার করতে বলেন এবং না করলে আত্মহত্যা করবেন বলে চিত্কার শুরু করেন। এক পর্যায়ে তিনি মোবাইলে তাকে আটক করা হয়েছে বলে গুজব ছড়িয়ে দেন। পরে তার লোকজন এসে থানায় হামলা ও ভাংচুর চালায়। তবে ওসির এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পৌর মেয়র জহিরুল হক রায়হান। এ ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার ৪/৫শ অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে পুলিশ মামলা করেছে।