ঘিওরে হিজুলিয়া গ্রামে ১০ বছরের এক মানসিক প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। টাকার মাধ্যমে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে তত্পর হয়ে উঠেছে একটি প্রভাবশালী মহল। গ্রাম্য শালিসের নামে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে ধর্ষককে। গত ২০ মে ওই প্রতিবন্ধী স্কুলছাত্রীর মা থানায় একটি মামলা করেছেন। স্কুলছাত্রীর পরিবারকে এলাকা ছাড়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, দ্বিতীয় শ্রেণির প্রতিবন্ধী ওই ছাত্রী গত ১২ মে ধর্ষণের শিকার হয়। একই গ্রামের বেলাল মিয়ার ছেলে দুলাল রবি ফেলু (৪২) মেয়েটিকে একটি ঘরে নিয়ে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ করে। শিশুটি তার মাকে ঘটনা খুলে বলে। ১৪ মে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে ওই এলাকার বাকাবিল্লা ওরফে বাকা মিয়ার বাড়িতে গোপনে এক গ্রাম্য সালিশের আয়োজন করা হয়। স্থানীয় ইউপি সদস্য রমজান আলী ও বাবু মল্লিকের নেতৃত্বে তোবারক হোসেন শিমুসহ আটজন মিলে ধর্ষককে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। প্রতিবন্ধী শিশুটির পরিবারকে দেওয়া হয় ৫০ হাজার টাকা। বাকি টাকা ভাগাভাগি করে নেন ওই আটজন। শিশুটির মা জানান, আমি ফালুর ফাঁসি দাবি করছি।
ঘিওর থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আশরাফুল আলম জানান, আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে যদি কেউ ঘটনা ধামাচাপা দিতে জড়িত থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।