ঝুঁকি নিতে ভয় পায় না অস্ট্রেলিয়া -লেহম্যান
প্রকাশ : ০৮ মার্চ ২০১৪, ২২:৩৪
অস্ট্রেলিয়ান কোচ ড্যারেন লেহম্যান বলেছেন, তার দল ঝুঁকি নিতে ভয় পায় না। আর দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে এই মানসিকতাই দুই দলের মধ্যে পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। এদিকে, টেস্টের পর তিন ম্যাচের তিন টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে আজ পোর্ট এলিজাবেথে মাঠে নামছে দুই দল।
শেষ টেস্টে জয়ের জন্য ৫১১ রানের লক্ষ্যমাত্রা পায় দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু এত রান করা সম্ভব নয় বিবেচনা করে মূলত ম্যাচ ড্র করার লক্ষ্য নিয়ে শেষ দিনের অধিকাংশ সময় ব্যাটিং করে প্রতি ওভারে ২ রান তোলে স্বাগতিক দল। তবে এ ধরনের পরিস্থিতিতে অস্ট্রেলিয়া এমন খেলতো না এমন ইঙ্গিত দিয়ে লেহম্যান স্পোর্টস ২৪ এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলেন, আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলার সংস্কৃতিই অস্ট্রেলিয়াকে ম্যাচ জয়ে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে এবং দেশে সমর্থকদের আকৃষ্ট করতে সক্ষম হয়েছে। তিনি আরো বলেন, পরাজয়ে তারা ভীত নন এবং সঠিক পথে ক্রিকেট খেলে ভক্তদের আনন্দ দিতে পেরে তারা খুশি।
এদিকে টেস্ট সিরিজের দলে বড় ধরনের পরিবর্তন এনে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু করতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। মাত্র তিন জন বাদে টেস্ট স্কোয়াডের সবাই ফিরে গেছেন অস্ট্রেলিয়ায়। তাদের পরিবর্তে দলে ডাকা হয়েছে টি-টোয়েন্টির অভিজ্ঞ দুই খেলোয়াড় ব্যাটসম্যান ব্র্যাড হজ এবং স্পিনার ব্র্যাড হগকে। টি-টোয়েন্টির সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলে প্রায় ৩৭ গড়ে ৫, ৯০২ রান নিয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হজের ক্যারিয়ারের শেষ সুযোগ হিসাবে বিবেচনা করা হচ্ছে এই সিরিজকে। অন্যদিকে, এই সিরিজে মাঠে নামতে পারলেই সবচেয়ে বেশী বয়সে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলোয়াড় হবার নতুন রেকর্ড গড়বেন হগ। পার্থ স্কোরার্সের হয়ে ঘরোয়া লিগ বিগব্যাশে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি হগের বোলিং সাফল্যই মূলত তার দলভুক্তিতে বড় ভূমিকা পালন করেছে। গত বছরের নভেম্বরে ৪২ বছর বয়সী টিকোলো কেনিয়ার হয়ে সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি খেলেন। আর বিশ্বজুড়ে প্রায় সবকটি টি-টোয়েন্টি লিগে খেলার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন হজের বয়স ৪৩ পেরিয়ে গেছে গত মাসে। এই দুইজন অভিজ্ঞ তারকার সঙ্গে আছেন তরুণ লেগস্পিনার জেমস মুরিহেডও।
অন্যদিকে দলে পরিবর্তন এনেছে স্বাগতিকরাও। শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গত আসরের পর প্রথমবারের মতো দলে ডাক পেয়েছেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার অ্যালবি মরকেল। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রায় শেষ ধরে নেয়া মরকেলের ক্যারিয়ারের পুনঃজাগরণ হিসাবে ধরা হচ্ছে এই সিরিজকে।