আইন-শৃংখলা বাহিনীর সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হতে পারেনি তদন্ত কমিটি

ব্যবসায়ী মৃদুল চৌধুরী অপহরণ ঘটনায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর জড়িত থাকার বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি তদন্ত কমিটি। কমিটির সাথে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গতকাল শনিবার পর্যন্ত কমিটির সামনে অপহরণের শিকার ব্যবসায়ী মৃদুল চৌধুরী ও র্যাব কর্মকর্তা মেজর রাকিবসহ মোট ৬ জন তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন। তবে মৃদুল চৌধুরী অপহরণের সাথে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী জড়িত ছিল— এটা কারো বক্তব্য থেকেই স্পষ্টভাবে উঠে আসেনি। উল্লেখ্য, মৃদুল চৌধুরীর অপহরণের সাথে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা অনুসন্ধানে সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) বনজ কুমার মজুমদারকে প্রধান করে ৩ সদস্যের কমিটি গঠিত হয়। কমিটির সাক্ষ্য গ্রহণ পর্ব বর্তমানে প্রায় শেষ পর্যায়ে বলে জানা গেছে। আগামী বুধ অথবা বৃহস্পতিবার নাগাদ পুলিশ সদর দফতরে এ বিষয়ে প্রতিবেদন পেশ করা হবে বলে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) ও কমিটির অন্যতম সদস্য মো. ইলতুিমশ গতকাল ইত্তেফাককে জানান। উল্লেখ্য, গত ১১ ফেব্রুয়ারি নগরীর কোতোয়ালি থানাধীন পুরাতন টেলিগ্রাফ রোডের বাসা থেকে হাজারী লেনের দোকানে যাওয়ার সময় অপহূত হন চট্টগ্রামের স্বর্ণ ব্যবসায়ী মৃদুল চৌধুরী। মাইক্রোবাস আরোহী ৮-১০ জন অস্ত্রধারী যুবক নিজেদের র্যাব, পুলিশ পরিচয় দিয়ে মৃদুলকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। এরপর তাকে আটকে রেখে এক সপ্তাহ ধরে তার ওপর অমানবিক নির্যাতন করা হয়। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার বুড়িচং থানাধীন কংসনগর বাজার থেকে মৃদুল চৌধুরীকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এসময় পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, র্যাবের বিরুদ্ধে ৮০ ভরি স্বর্ণ লুটের মামলা করার কারণে মৃদুল চৌধুরীকে অপহরণ করা হয়েছে।