নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা পড়েছে চট্টগ্রাম

টি-২০ বিশ্বকাপ উপলক্ষে উত্সবের ঢাক বাজতে শুরু করেছে চট্টগ্রামে। গতকাল রবিবার থেকে বন্দরনগরীতে আসতে শুরু করেছে অংশগ্রহণকারী দলগুলো। চট্টগ্রামের মাটিতে পা রেখেছে আফগানিস্তান, হংকং, জিম্বাবুয়ে ও নেদারল্যান্ডস। বিশ্বসেরা ক্রিকেটারদের আগমণের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রামে অনানুষ্ঠানিক শুভযাত্রা শুরু হয়েছে টি ২০ বিশ্বকাপের। আগামী ১৬ মার্চ নেপাল ও হংকংয়ের ম্যাচ দিয়ে চট্টগ্রামে বিশ্বকাপের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু। তবে তার আগে আরো চারটি গা গরমের ম্যাচ হবে চট্টগ্রামের দু’টি ভেন্যুতে। বিশ্বকাপে চট্টগ্রাম পর্বের পর্দা নামবে ৩১ মার্চ। পক্ষকালব্যাপী এই উত্সবকে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে ইতিমধ্যেই নজিরবিহীন নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে দেয়া হয়েছে চট্টগ্রামকে। এর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে গত শনিবার জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মহড়ার মধ্য দিয়ে। সিএমপি সূত্রে জানা গেছে, খেলোয়াড়দের বিমান বন্দরে অভ্যর্থনা থেকে শুরু করে হোটেলে অবস্থান ও মাঠের নিরাপত্তায় সার্বক্ষণিক দায়িতে থাকবে পুলিশের বেশ কয়েকটি মোবাইল টিম। একই সাথে নগরীর আগ্রাবাদ ও পেনিনসুলা হোটেলসহ স্টেডিয়ামের চারপাশে থাকবে সাদা পোশাকধারী পুলিশ। নিরাপত্তার স্বার্থে মাঠে থাকবে পুলিশের অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট (সোয়াত)। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সদস্যদের সমন্বয় করবেন সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার বনজ কুমার মজুমদার ও একেএম শহিদুল ইসলাম। সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়টি তদারকি করবেন পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) বনজ কুমার মজুমদার গতকাল ইত্তেফাককে বলেন, বিশ্বকাপে চট্টগ্রামের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় যাতে কোনো ফাঁক ফোকড় না থাকে তার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। প্রতিটি থানাকেই বিভিন্ন ধরনের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ হকারদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। বস্তিবাসীদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। বিভিন্ন আবাসিক হোটেল কর্তৃপক্ষকে পরিচয়পত্র ছাড়া অতিথি রাখতে নিষেধ করা হয়েছে।