বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের দ্রুত ও স্বচ্ছ বিচার করতে হবে
প্রকাশ : ১০ মার্চ ২০১৪, ২২:৪০
ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট ডব্লিউ গিবসন বলেছেন, বাংলাদেশে সম্প্রতি বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের হার খুবই উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। সরকার বলেছে, এ ধরনের হত্যাকাণ্ডের প্রতিকার করবে। খুবই দ্রুত, স্বচ্ছ উপায়ে ও প্রকৃত তদন্ত করে বিচার করতে হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড বন্ধ করতে হবে। গতকাল সোমবার বিকালে মহাখালী ব্র্যাক সেন্টারে ‘কমনওয়েলথ দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ব্রিটিশ হাইকমিশনার একথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমদ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, সরকার মানবাধিকার সংরক্ষণে খুব সজাগ ও সতর্ক রয়েছে। মানবাধিকার লংঘনের প্রতিটি ঘটনার প্রতি সরকারের নজর রয়েছে। আমরা চাই না বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডসহ এসব ঘটনা ঘটুক। দুর্ভাগ্যজনকভাবে কিছু ঘটলেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বাংলাদেশ কমনওয়েলথ সোসাইটি আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সোসাইটির সভাপতি ইনাম আহমেদ চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন ড. মিজানুর রহমান শেলী, ফারুক সোবহান, মোকাম্মেল হক, আবুল হাসান চৌধুরী, ব্যারিস্টার হারুন-অর-রশীদ প্রমুখ। কমনওয়েলথ-এর চেতনা বিষয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রফেসর সেলিনা মহসীন।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার আরো বলেন, বাংলাদেশসহ ৫৩টি স্বাধীন দেশ কমনওয়েলথ সদস্য হিসাবে এর সনদে স্বাক্ষর করেছে। সনদের মর্মকথা হল- সমতা, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ব্যক্তি অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা। এই মর্মকথার প্রতি সবাইকে শ্রদ্ধাশীল ও আন্তরিক হতে হবে। সরকারকে অধিকার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট থাকতে হবে। এটা দায়িত্ব। সংখ্যালঘু ও সমাজের দুর্বলতর অংশের প্রতি সুনজর দিতে হবে। তারা যেন কোন নিপীড়ন-নির্যাতনের শিকার না হয়।
সভাপতির বক্তব্যে ইনাম আহমেদ চৌধুরী বলেন, মানবাধিকার, আইনের শাসন, গণতন্ত্র ও কমনওয়েলথ সনদের অংশ। এ বিষয়গুলোর বিচ্যুতি ঘটলে সনদকেই অস্বীকার করা হয়। এসব নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।