সেজেছে সিলেটও

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে পর্যটন নগরী সিলেটকে আরো মোহনীয় ও বর্ণাঢ্য সাজে সজ্জিত করা হচ্ছে। নবরূপে সাজছে এই নগরী। শোভাবর্ধনের জন্য এই উদ্যোগ নিয়েছে সিলেট সিটি করপোরেশন। সিলেটের রাজপথে নিজস্ব সংস্কৃতির পরিচয় তুলে ধরতে আলপনা আঁকার দায়িত্ব নিয়েছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ কাজে যোগ দিয়েছে সিলেটের বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের আড়াইশ শিক্ষার্থী। সহসাই পর্দা উঠছে টি-টোয়েন্টির। তার আগেই নগরীর রোজভিউ হোটেল থেকে আম্বরখানা হয়ে বিমান বন্দর সড়কের লাক্কাতুয়ায় সিলেট বিভাগীয় স্টেডিয়াম পর্যন্ত আলপনা আঁকা হবে । এ শিল্পের পুরো কাজ বাস্তবায়ন ও পরিকল্পনায় থাকবে শাবির স্থাপত্য বিভাগ। বার্জার একাজের জন্য বিনামূল্যে রং সরবরাহ করছে। সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা যায়, আলপনা আঁকার কাজ চলবে ১৪ মার্চ পর্যন্ত। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা-রাত ১২টা পর্যন্ত কাজ চলবে। হোটেল রোজভিউ এর সামনে থেকে নাইওরপুল-চৌহাট্টা-আম্বরখানা পয়েন্ট হয়ে বিমান বন্দর সড়ক পর্যন্ত আলপনা আঁকার সময় যাতায়াত ব্যবস্থা বন্ধ থাকবে। ইতোমধ্যে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে বিশ্বকাপের কাউন্ট-ডাউন সম্বলিত সুসজ্জিত ইলেকট্রনিক ওয়াচ স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি বিশ্বকাপের লোগো সম্বলিত বিলবোর্ডও টানিয়ে দেয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঐতিহাসিক ক্বীনব্রিজের নিচে ভিআইপি সার্কিট হাউস সংলগ্ন রাস্তায় এই আলপনা আঁকা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। এসময় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর আমিনুল হক ভুঁইয়াসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বিশ্বকাপ উপলক্ষে নগরীর সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ সমন্বিতভাবে করা হচ্ছে। আইসিসির ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ও সরকারের সহযোগিতায় কাজ করছে সিটি করপোরেশন ও সিলেটের প্রশাসন। শাবির সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষক সুব্রত দাশ বলেন, সিটি করপোরেশনের আলপনা আঁকার প্রস্তাব তারা সানন্দে গ্রহণ করেছেন। কাজটি হবে বাণিজ্যিক চিন্তার ঊর্ধ্বে। এর মাধ্যমে সারা বিশ্বে দেশের ঐতিহ্য তুলে ধরার প্রকাশ ঘটানো হবে।