কর্মসংস্থান সৃষ্টিই বড় চ্যালেঞ্জ :গভর্নর

দেশের উন্নয়নের সাফল্যগাঁথা কর্মঠ ও সৃজনশীল উদ্যোক্তারাই রচনা করেছেন। কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতে তাদের সফল পদচারণার কারণেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে। তবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি আমাদের জন্যে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আর এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ডিসিসিআই-কে সঙ্গে নিয়ে আইডিইবি’র এক হাজার নতুন শিল্প উদ্যোক্তা সৃষ্টির এ প্রকল্প অন্যান্য সংগঠনের জন্যে অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। অন্যান্য সংগঠনকেউ এ ধরনের সৃজনশীল উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিত। গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংক, ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) ও ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ড্রাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান এসব কথা বলেন। আইডিইবি ভবনে আয়োজিত দুদিনের এ কর্মশালায় আইডিইবি সভাপতি এ. কে. এম. এ হামিদ, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক ম. হামিদ, ঢাকা চেম্বারের সাবেক সভাপতি ও এ্যান্ট্রিপ্রিনিউয়ারশীপ এন্ড ইনোভেশন এক্সপো’র বর্তমান চেয়ারম্যান সবুর খান উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গভর্নর বলেন, বর্তমানে আমাদের জনসংখ্যার ৬০ শতাংশই কর্মক্ষম। এ ধরনের সুযোগকে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বলে। চীন ও ভারতের মতো দেশেও এ সুযোগ এসেছিল। তারা এটিকে কাজে লাগিয়ে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধন করেছে। তিনি বলেন, দেশে প্রতিবছর প্রায় ২০ লাখ কর্মক্ষম জনবল তৈরি হচ্ছে। এই জনবলকে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে এটি আমাদের জন্যে আশীর্বাদ হয়ে উঠবে। আতিউর রহমান বলেন, উদ্যোক্তাদের জন্যে বাংলাদেশ ব্যাংক নীতি সহায়তার পাশাপাশি কয়েকটি পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন গ্রহণ করেছে। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্যে ৬০০ কোটি টাকার একটি পুনঃঅর্থায়ন তহবিল রয়েছে। এ তহবিল থেকে নতুন উদ্যোক্তারা ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ গ্রহণ করতে পারছেন।