ক্যাটেকে পড়ছে বিদেশী শিক্ষার্থী
প্রকাশ : ১২ মার্চ ২০১৪, ২১:২৪
একটা সময় ছিল আমাদের দেশের শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাড়ি দিত। এখন আর সেই সময় নেই। এখন বিদেশি শিক্ষার্থীরা আমাদের দেশে পড়ালেখার জন্য আসছে। এমনই কিছু শিক্ষার্থীর মধ্যে রয়েছে সুইজারল্যান্ডের রুরিন ফ্লিক্স, জার্মানির আর্নে মালশারোইত্স, নরওয়ের বার্ড ওয়ালেনটিনসেন। রাজধানীর উত্তরার কলেজ অব এভিয়েশন টেকনোলজি (ক্যাটেক) থেকে তারা অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পড়ালেখা করেছে। সম্প্রতি এই প্রকৌশল ডিগ্রির সনদও লাভ করেছে তারা। বাংলাদেশের শিক্ষার্থী সহপাঠীদের সহযোগিতায় তারা মুগ্ধ। নরওয়েজিয়ান ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষার্থী বার্ডের ভাষ্য, ‘এখানকার যেসব শিক্ষার্থীকে আমরা বন্ধু হিসেবে পেয়েছি, তারা সকলেই খুব সহযোগিতাপূর্ণ। তাদের সাথে সম্পর্ক বাংলাদেশ সম্পর্কে আমাদের ধারণা পাল্টে দিয়েছে।’ রুরিন আর্নে ও বার্ডের কাছেও বাংলাদেশ এখন পছন্দের জায়গায় পরিণত হয়েছে। জুরিখ ইউনিভার্সিটি অব অ্যাপ্লায়েড সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রুরিন আগে বাংলাদেশ সম্পর্কে খুব একটা জানতেন না। ইন্টারনেট থেকে বতটুকু জানতে পেরেছেন, সেটাও খুব বেশি ইতিবাচক ছিল না। তার ভাষায়, ‘যখন জানতে পারলাম আমি পড়তে যাচ্ছি বাংলাদেশে, তখন একটু দুচিন্তা হচ্ছিল। কিন্তু এখানে এসে আমাদের ধারণা পাল্টে গেছে। এখানকার মানুষ বেশ সহযোগী। ফলে আমাদের কোনো সমস্যাই হয়নি।’ ক্যাটেকের পাঠ্যসূচি, উন্নত ল্যাব, ব্যবহারিক কাজের সুযোগ প্রভৃতি দেখে মুগ্ধ এসব বিদেশি শিক্ষার্থী। ক্যাটেক পরিচালিত এসব কোর্স সম্পর্কে ০১৯৩৭১৮২৪৭০, ৮৯৯১৩৭১ নম্বরে ফোন করে আরও বিস্তারিত তথ্য এবং কোর্সের খরচ সম্পর্কে জেনে নিতে পারবেন।
বাংলাদেশের ক্যাটেকে পড়তে এসে আর্ন বলেন, ‘আমারও দুশ্চিন্তা ছিল। কারণ অপরিচিত একটি শহরে সহপাঠীরা কেমন হবে বা কেমন সুবিধা পাওয়া যাবে, তা নিয়ে ছিল দ্বিধা।’ তবে এখন বেশ ভালোই আছেন বলে জানান তিনি। ক্লাস, ল্যাব সবমিলিয়ে বেশ ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন এই শিক্ষার্থীরা। তাদের সাথে কথা বলে জানা গেল, এডুকেশনাল এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ পড়তে এসেছেন তারা। টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবেও কাজ করছেন তারা। এই কোর্সকে সম্ভাবনাময় বলছেন এসব শিক্ষার্থী।
যোগাযোগ :বাড়ি-১৪, রোড-২, সেক্টর-১১, উত্তরা, ঢাকা।