বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি

হাইকোর্টে রিটের চূড়ান্ত শুনানিতে নিয়োগ সাত অ্যামিকাসকিউরি

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক প্রার্থীকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা সংক্রান্ত গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ১৯ ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়েরকৃত রিট আবেদনের চূড়ান্ত শুনানিতে ছয়জন আইনজীবী এবং একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে অ্যামিকাসকিউরি নিয়োগ দিয়েছে হাইকোর্ট। গতকাল বুধবার রুলের শুনানিকালে বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের ডিভিশন বেঞ্চ এ নিয়োগ দেন। অ্যামিকাসকিউরিরা হলেন সিনিয়র আইনজীবী ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার রফিক-উল হক, ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, এডভোকেট মাহমুদুল ইসলাম, ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ ও সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার। অবকাশের পর রুলের ওপর পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় পার্টির (জাপা) ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার আবদুস সালাম গত জানুয়ারি মাসে আরপিও’র ১৯ ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। আবেদনকারী দশম সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-১ আসন থেকে জাপার প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র কিনেছিলেন। পরবর্তীকালে দলের চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদের নির্দেশে তিনি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। ওই আবেদনের ওপর গত ১৬ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রুল জারি করে। রুলে সংসদ নির্বাচনে একক প্রার্থীকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা সংক্রান্ত গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ১৯ ধারা কেন সংবিধান পরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়। গতকাল এ রুলের ওপর শুনানি করেন রিটকারীর আইনজীবী ব্যারিস্টার হাসান এমএস আজিম। শুনানির এক পর্যায়ে হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে আদালতকে আইনি ব্যাখ্যা দিয়ে সহায়তা করতে ৬ শীর্ষ আইনজীবীসহ ৭জনকে অ্যামিকাসকিউরি হিসেবে নিয়োগ দেয়। ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজিম বলেন, সংবিধানে আছে, জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন। তাই জনগণের সম্পৃক্ততা ছাড়া কোন নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।