পঞ্চম ধাপের নির্বাচন

আওয়ামী লীগের চেয়ে বিএনপিতে বিদ্রোহী বেশি

পঞ্চম ধাপের ৭৪ উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের চেয়ে বিএনপিতেই বিদ্রোহী প্রার্থীর সংখ্যা বেশি। আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী আছেন ৪৩ উপজেলায়, আর ৩১ উপজেলায় রয়েছেন একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী। পক্ষান্তরে বিএনপির একক প্রার্থী রয়েছেন ৩৭টি উপজেলায়, আর ৩৪টিতে রয়েছেন একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী। গত বুধবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে ২৭৩ জন প্রার্থী প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ১৫৪, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৯৫ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। আগামী ৩১ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য পঞ্চম ধাপের নির্বাচনে তিনটি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ১ হাজার ৭৮ জন। গতকাল বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট উপজেলার রিটার্নিং অফিসাররা ১ হাজার ৭৮ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৩৬০ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪১৪ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২৭৭ জন প্রতীক পেয়েছেন। প্রতীক বরাদ্দ পেয়েই প্রার্থীরা পুরোদমে নির্বাচনী প্রচারণায় নেমে পড়েছেন। জানা গেছে, বরিশাল বিভাগের ৬টি উপজেলার একটিতে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী নেই। বিএনপির একক প্রার্থী আছে তিনটি উপজেলায়। সিলেট বিভাগের ছয়টির মধ্যে ২টিতে আওয়ামী লীগের একক, ৪টিতে বিদ্রোহী, বিএনপির ৪টিতে একক ও দুটিতে বিদ্রোহী প্রার্থী আছে। রংপুর বিভাগের আটটি উপজেলার মধ্যে ছয়টিতে আওয়ামী লীগের একক ও দুটিতে বিদ্রোহী প্রার্থী, বিএনপির একক প্রার্থী ৪ উপজেলায় ও বিদ্রোহী প্রার্থী ৪ উপজেলায়। খুলনা বিভোগের ৫ উপজেলার মধ্যে ৪টিতে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী ও একটিতে বিদ্রোহী প্রার্থী। এই বিভাগে বিএনপির একক প্রার্থী তিনটি উপজেলায় ও বিদ্রোহী দুটিতে। রাজশাহী বিভাগের ছয় উপজেলার চারটিতে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী ও দুটিতে বিদ্রোহী প্রার্থী। বিএনপির একক প্রার্থী তিনটি উপজেলায় ও বিদ্রোহী তিনটি উপজেলায়। চট্টগ্রাম বিভাগের ২১ উপজেলায় আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী ১১টিতে ও বিদ্রোহী প্রার্থী ১০ উপজেলায়। ঢাকা বিভাগের ২২ উপজেলার মধ্যে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী আছে ১৬ উপজেলায় ও বিদ্রোহী প্রার্থী আছে ছয় উপজেলায়। এই বিভাগে বিএনপির একক প্রার্থী আছে ৮ উপজেলায় ও বিদ্রোহী প্রার্থী আছে ১৩ উপজেলায়।