‘ব্রিজটি নিচু দেখা গেলেও আসলে নিচু নয়’

উচ্চতা কমিয়ে দেওয়ার কারণে গৌরনদীর জন গুরুত্বপূর্ণ পালরদী খালের ওপর নির্মাণাধীন ব্রিজের নিচ দিয়ে নৌযান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টির আশংকা দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে উদ্বিগ্ন এ অঞ্চলের ব্যবসায়ী মহল।
 
বরিশালের গৌরনদী ও টরকী বন্দরের সঙ্গে পালরদী খালের মাধ্যমে নৌ-পথে যোগাযোগের ব্যবস্থা চালু রয়েছে দক্ষিণাঞ্চলের নৌ-বন্দর বানারীপাড়া, স্বরূপকাঠি, মীরের হাট, ধামুরা বন্দরসহ বিভিন্ন নৌ-বন্দরের সঙ্গে। যুগ যুগ ধরে ওই সব নৌ-বন্দর থেকে পণ্য বোঝাই ছোট-বড় শত শত নৌযান প্রতিদিন পালরদী খাল দিয়ে গৌরনদীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে চলাচল করে আসছে।

সরেজমিন জানা গেছে, গৌরনদী বন্দরের মাছ বাজারের পাশে পালরদী খালের ওপর পুরাতন ব্রিজ ভেঙ্গে ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে নতুন ব্রিজ নির্মাণ করছে এলজিআরডি। ১০৫ ফুট দৈর্ঘ্য ও ২৪ ফুট প্রস্থের এ ব্রিজটির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স কোহিনুর এন্টারপ্রাইজ। কাজ চলছে দ্রুত গতিতে। ইতিমধ্যে ব্রিজের দুই পাশের গোড়ার অংশ, গার্ডার বসানোসহ নিচের কাজ শেষ হয়েছে। তবে লক্ষ্য করা গেছে, ব্রিজটি আগে তুলনায় অনেকটা নিচু। 
 
গৌরনদী বন্দরের কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, নৌপথে পণ্য আনা-নেওয়ার ক্ষেত্রে সড়ক পথের চেয়ে খরচ অনেক কম। এ জন্য পালরদী খালটি এ অঞ্চলের ব্যবসায়ীদের জন্য আশীর্বাদ। বর্ষায় পানির উচ্চতা বেড়ে গেলে নৌযান চলাচল বন্ধ হয়ে আমাদের দুর্ভোগ বাড়বে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ব্রিজের মাঝের অংশ আগের চেয়ে ৫/৬ ফুট কমিয়ে নিচু করে তৈরি করা হয়েছে। 

এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানার জন্য ব্রিজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সত্ত্বাধিকারী  মো. ফরহাদ হোসেনের মোবাইল নম্বরের একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেন নি।

আরও পড়ুন: নার্সের ভুলে জীবনসংকটে শিক্ষার্থী

গৌরনদী উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার মো. অহিদুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ব্রিজটি দেখতে আপাতত নিচু মনে হলেও আসলে নিচু নয়। আশা করি তৈরির পরে নিচ দিয়ে বড় আকারের নৌযান চলতে পারবে। 

ইত্তেফাক/অনি