১৬ এপ্রিল থেকে ডিএসইতে
তিন দিনে লেনদেন নিষ্পত্তি
প্রকাশ : ১৫ মার্চ ২০১৪, ২১:২১
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন নিষ্পত্তির নতুন সময়সীমা আগামী ১৬ এপ্রিল থেকে চালু হচ্ছে। কাস্টডিয়ান ব্যাংকগুলোর সঙ্গে বৈঠকের পর ডিএসই কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ১৬ এপ্রিলের পর থেকে চার দিনের পরিবর্তে তিন দিনে (টি+২) লেনদেন নিষ্পত্তি শুরু হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) অবহিত করেই নতুন এ লেনদেন নিষ্পত্তি কার্যকর করা হবে। তবে ইতিমধ্যে এ বিষয়ে বিএসইসির অনুমোদন রয়েছে।
এর আগে গত ২৩ জানুয়ারি ডিএসইর বোর্ডসভায় শেয়ার লেনদেন নিষ্পত্তির সময় কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও কাস্টডিয়ান ব্যাংকগুলোর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিএসইসির নির্দেশনায় তা পিছিয়ে যায়। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের শেয়ার কেনাবেচার অর্থ আদান-প্রদানে বর্তমানের প্রচলিত পদ্ধতিতে বিলম্বের কারণে টি+২ কার্যকরে এক মাস সময় চায় কাস্টডিয়ান ব্যাংকগুলো। তবে সম্প্রতি এক বৈঠকে নির্ধারিত সময়ের আগেই বিদেশিদের শেয়ার কেনাবেচায় প্রচলিত পদ্ধতিটি একদিন কমিয়ে আনতে পারবে বলে ডিএসইকে আশ্বস্ত করে কাস্টডিয়ান ব্যাংকগুলো। এরপর টি+২ কার্যকর করার জন্য আগামী ১৬ এপ্রিল দিন ধার্য করে ডিএসইর ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।
শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ সম্পন্ন হয় কাস্টডিয়ান ব্যাংকের মাধ্যমে। দেশের কাস্টডিয়ান ব্যাংকগুলো টি+৩ তে শেয়ার হাতে পাওয়ার পর ব্রোকারকে অর্থ প্রেরণ করে। তবে শেয়ার কেনার অর্থ আনতে কয়েকটি ধাপ পার করতে হয়। এক্ষেত্রে ফান্ড ম্যানেজার, গ্লোবাল কাস্টডিয়ান হয়ে স্থানীয় কাস্টডিয়ান ব্যাংকের মাধ্যমে ব্রোকারেজ হাউসের কাছে অর্থ আসে। অনেক ক্ষেত্রে দেশ-বিদেশের কার্যদিবস ও সময়ের পার্থক্য থাকায় নির্ধারিত সময়ে অর্থ আনতে বিলম্ব হতে পারে। এ সব বিষয় বিবেচনায় এনে স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন নিষ্পত্তি বিধিমালার ১২(বি) তে বিদেশি ক্রেতা-বিক্রেতার ক্ষেত্রে লেনদেন নিষ্পত্তির সময়সীমা টি+৫ নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন পদ্ধতি কার্যকর হলে বিদেশি ক্রেতা-বিক্রেতার ক্ষেত্রে লেনদেন নিষ্পত্তির সময়সীমাও একদিন কমে আসবে।